যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ PM , আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৪ PM
জ্বালানি ট্যাংকার

জ্বালানি ট্যাংকার © সংগৃহীত

যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্পষ্টতা এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক অস্থির লেনদেনের মধ্য দিয়ে এই দরপতন ঘটে। খবর রয়টার্সের

সোমবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সকালে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৬৪ সেন্ট বা ০.৬% কমে ১০৮.৩৯ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৩৩ ডলার বা ১.২% কমে ব্যারেল প্রতি ১১০.২১ ডলারে বেচাকেনা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআই-এর দাম ১১% এবং ব্রেন্টের দাম ৮% বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ তেলের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড। সেই তুলনায় রবিবারের এই দরপতন অত্যন্ত সামান্য।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উত্তেজনা অবসানের লক্ষ্যে একটি খসড়া পরিকল্পনা হাতে পেয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেবে না। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে তেহরান কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। ইরান জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আসা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের জবাবে তারা নিজেদের অবস্থান ও দাবিগুলো চূড়ান্ত করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার কারণে ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত ও আরব আমিরাতের তেল সরবরাহ পথটি প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে শিপিং ডেটা অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার থেকে ওমান, ফ্রান্স ও জাপানের মালিকানাধীন কয়েকটি জাহাজ এই প্রণালী পার হতে পেরেছে। ইরান যে দেশগুলোকে বন্ধুভাবাপন্ন মনে করে, কেবল তাদের জাহাজগুলোকেই চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে এই বিঘ্ন ঘটার কারণে তেল শোধনাগারগুলো এখন বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। বিশেষ করে এশীয় ও ইউরোপীয় শোধনাগারগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ভারতের তেল শোধনাগারগুলোও দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে তাদের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পিছিয়ে দিয়েছে।

এদিকে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস গত রবিবার আগামী মে মাসের জন্য দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জোটের মূল উৎপাদনকারী দেশগুলো উৎপাদন বাড়াতে অক্ষম হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে রাশিয়ার তেল রপ্তানি টার্মিনালগুলো ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার শিকার হওয়ায় দেশটির তেল সরবরাহও সম্প্রতি চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।

ক্ষমতায় থাকা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
আইপিএলকে ছাড়িয়ে যাবে পিএসএল, বিশ্বাস নাকভির
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ক্যাম্পাসের দেয়ালে দেয়ালে গোলাম আযমের ছবি—লেখা ‘আমাকে জুতা …
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল মাউশি
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে বিয়ের তিন দিন আগে অসুস্থ হয়ে বরের মৃত্যু
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬