এবার ভারতের করোনভাইরাস হানা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে। ফলে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে কর্মীদের। রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির কোনও সচিব বা কর্মীর শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়নি।
এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাইসিনা হিলসের এক পুলিশ কর্মকর্তার শরীরে মিলেছে করোনাভাইরাস। দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। রাষ্ট্রপতি ভবনের বহু কর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তাকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ভবনের ঠিক পাশেই রয়েছে পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের দফতর। গতমাসে, রাষ্ট্রপতি ভবনের এক কর্মীর আত্মীয়ের শরীরে করোনা পজিটিভ (কোভিড-১৯) পাওয়া যায়। ফলে ১১৫টি বাড়ির সদস্যকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।
গত ১৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সচিবলায়ের এক কর্মীর করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। যদিও মধ্য দিল্লির ওই বাসিন্দা রাষ্ট্রপতির সচিবলায়ের কর্মী বা ভবনের বাসিন্দা ছিলেন না। তাঁর অজানা জ্বরে মৃত্যু হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
পরে যখন দেখা যায়, সেই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনে আবাসিক এক কর্মী, তখনই মধ্য দিল্লিতে থাকা সমস্ত পরিবারকে কোয়ারান্টিনে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে একটি পরিবারের এক সদস্যের পজিটিভ ধরা পড়ে, বাকিরা নেগেটিভ।
গত সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি ভবনের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, এক বছরের জন্য নিজের বেতনের ৩০ শতাংশ নেবেন না রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খরচের জন্য নিজের সফর ও নানা অনুষ্ঠানের খরচও কমিয়ে দেন তিনি।
লিমুজিন কেনা বা অন্যান্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানের খরচও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রপতির হিসেবে, এটা খুবই ছোটো, তবে সরকারের ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলার যে উদ্যোগ, সেক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। এটি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শক্তি জোগানো এবং একইসঙ্গে উন্নয়ন ও সমদ্ধি এগিয়ে নিয়ে চলা।’