গৌতম আদানি © ফাইল ছবি
ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানি আরেক ভারতীয় মুকেশ আম্বানিকে টপকে ভারত তথা এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্লুমবার্গের প্রকাশিত তালিকায় দেখা গেছে, গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা তাকে তালিকার ১৯ তম স্থানে নিয়ে গেছে। আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির অধীন রয়েছে একাধিক বন্দর, মহাকাশপ্রযুক্তি, তাপশক্তি ও কয়লার ব্যবসা।
এদিকে মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণ দেখা গেছে ৯০ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা তালিকার ২০ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। আম্বানি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ব্লুমবার্গের রিয়েল-টাইম তথ্য অনুযায়ী, দুই ভারতীয় টাইকুনের সম্পদের ব্যবধান এখন খুবই সামান্য।
গত বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারে জোরদার উত্থান দেখা যায়, যা বেঞ্চমার্ক সূচকগুলিকেও ছাড়িয়ে যায়। এর ফলে একদিনেই গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ৩.৫৬ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় এখনও শীর্ষে রয়েছেন ইলন মাস্ক, যার সম্পদের পরিমাণ ৬৫৬ বিলিয়ন ডলার। তার পরেই রয়েছেন ল্যারি পেজ। সম্পদের পরিমাণ ২৮৬ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে আছেন জেফ বেজোস যার সম্পদের পরিমাণ ২৬৯ বিলিয়ন ডলার। এছাড়াও শীর্ষ ১০-এ রয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ, ল্যারি এলিসন, মাইকেল ডেল, জেনসেন হুয়াং এবং বার্নার্ড আর্নল্ট প্রমুখ।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের শীর্ষ ২০ ধনীর মধ্যে সাতজনের সম্পদ কমেছে। এর মধ্যে বার্নার্ড আর্নল্টের সম্পদই সবচেয়ে বেশি কমেছে—প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার।
ভারতের অন্যান্য ধনীদের মধ্যে লক্ষ্মী মিত্তাল ৬২তম স্থানে—সম্পদের পরিমাণ ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার, শিব নাদার ৭০তম স্থানে—সম্পদের পরিমাণ ৩৩.৫ বিলিয়ন ডলার, শাপুর মিস্ট্রি পরিবারসহ ৭১তম স্থানে—সম্পদের পরিমাণ ৩৩.২ বিলিয়ন ডলার এবং সাবিত্রী জিন্দাল ৭৩তম স্থানে—সম্পদের পরিমাণ ৩২.৭ বিলিয়ন ডলার রয়েছেন।