করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। গত ১১ জানুয়ারিতে করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়েছিল। এর তিন মাস পর গত ১১ এপ্রিল বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ায়। এর মাত্র ৩৪ দিনের মধ্যেই আরও ২ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছেন ৩ লাখ ৩ হাজার ৩৭২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ লাখ ৩ হাজার ৮০৮ জন।
তথ্যানুযায়ী বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ৮৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্ত ১৪ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।
গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সর্বোচ্চ ২ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে বলে আশঙ্কা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের সদস্য ডা. ফউসি।
ইউরোপের সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেশ স্পেনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬৬৪। মারা গেছেন ২৭ হাজার ৩২১ জন। যুক্তরাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৩৩ হাজার ১৫১। ইউরোপের আরেক দেশ ইতালিতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৬ জন, মারা গেছেন ৩৩ হাজার ৬১৪ জন।
গতবছর ডিসেম্বরের শেষদিকে চীনের উহান শহরে প্রথম কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই বিশ্বের ২১৫টি দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় মহামারি কোভিড-১৯।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, আগের দুই করোনাভাইরাস সার্স ও মার্সের তুলনায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের দিক থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী।
ডব্লিউএইচও’র হিসাব অনুযায়ী, ২০০৩ সালে সার্স (সিভিয়ার অ্যাকুইটি রেসপিরেটরি সিনড্রোম) করোনাভাইরাসে মারা যান ৭৭৪ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছিলেন ৮ হাজার ৯৮ জন।
অন্যদিকে, ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আরেক করোনাভাইরাস মার্সে (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৪, মারা গেছেন ৮৫৮ জন।