© সংগৃহীত
ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার একবছর পূর্ণ হয়েছে আজ শুক্রবার। এদিন আয়া আল-উমারি ফুলের তোড়া দিয়ে আল-নূর মসজিদে সন্ত্রাসীর হামলায় নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।- খবর রয়টার্সের
নিহত ৫১ মুসল্লির ভেতরে আয়ার ৩৫ বছর বয়সী ভাই হুসেইনও ছিলেন। তখন জুমার নামাজ চলছিল। আল-নূর ও লিনউড মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে তাদের সেদিন হত্যা করা হয়।
মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন আয়া। বললেন, প্রতিটি দিন প্রতিটি মুহূর্তে তাকে আমরা স্মরণ করি। হত্যাযজ্ঞের বার্ষিকীতে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমরা এখানে জড়ো হয়েছি। সেদিন বহু লোকের প্রাণ কেড়ে নেয়া হয়েছিল। যাদের মধ্যে আমার ভাইও ছিলেন।
হামলার দায়ে ব্রেনটন ট্যারেন্ট নামের এক অস্ট্রেলীয়ার নাগরিকের বিরুদ্ধে ৯২টি অভিযোগ আনা হয়েছে। সে দোষ স্বীকার করে কোনো স্বীকারোক্তি দেয়নি। আগামী জুনে বিচারের মুখোমুখি হবে ওই অস্ট্রেলীয় সন্ত্রাসী।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডান বলেন, ‘ওই হামলার পর তার দেশ মৌলিকভাবে বদলে গেছে।’
গত সপ্তাহেও আল-নূর মসজিদে নতুন করে হামলার হুমকি এলে শুক্রবার মসজিদটি ঘিরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সেদিন বন্দুকধারী সন্ত্রাসীকে মুখোমুখি রুখে দেয়ার চেষ্টা করেন আবদুল আজিজ। বললেন, একটি বছর চলে গেছে। কিন্তু আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, ঘটনাটা গতকালের।
তাজ মোহাম্মদ কামরানের পায়ে গুলি লেগেছিল। তার বন্ধুও নিহত হন। ‘এটাকে একটি কঠিন বছর’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাজ বলেন, তবে সব কিছু ছাড়িয়ে আজ নিজেকে খুব শক্তিশালী মনে হচ্ছে।