এবার শিক্ষকদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল ভারতের আসাম সরকারের বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের সরকারবিরোধী সমালোচনা হজম করতে না পেরে সোমবার নোটিশ জারি করা হয়েছে।
ডিরেক্টরেট অফ হায়ার এডুকেশনের নিকট থেকে রাজ্যের সমস্ত কলেজের অধ্যক্ষের কাছে নির্দেশিকা পৌঁছেছে। সেখানে শিক্ষকদের ‘সরকারি কর্মচারী’ উল্লেখ করে আর্জি জানানো হয়েছে, ‘সরকারের সমালোচনা থেকে বিরত থাকুন’। ১৯৬৫ সালের আসাম সিভিল সার্ভিসের নিয়মের কথা উল্লেখ করে, এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
আসাম সিভিল সার্ভিসের সাত নম্বর আইন (১৯৬৫)-এর উল্লেখ করে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারের কাজের সমালোচনা করে সরকারি কর্মচারীরা কোনরূপ মন্তব্য করতে পারবেন না। এর পরেও যদি কোনও সরকারি কর্মী সরকারের কাজের সমালেচনা করেন, তাহলে আসাম সিভিল সার্ভিসের তিন ও সাত নম্বর আইন ভাঙার দায়ে পড়বেন।
শিক্ষক-শিক্ষিকারা ওই নির্দেশনা মানছেন কি না, তা অধ্যক্ষদের দেখতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বিভাগীয় অধিকর্তা গীতিমণি ফুকন। খবর: এইসময়।
সূত্র জানিয়েছে, শুধু সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা নন, কোনও সরকারি কর্মীই আসামের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারবেন না। সরকারি কাজের সমালোচনা যে মেনে নেয়া হবে না, আসাম সরকার তা গোপন করেনি।
চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে কিছু লিখলে সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশেষ করে, শিক্ষকদের দিকে বাড়তি নজর তাদের। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে, আসাম রাজ্য সরকারের অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদেরও।