ভারতে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানী দিল্লিসহ অন্তত দশটি রাজ্যের ১৩টি শহরে হয়েছে বিক্ষোভ। এছাড়া কয়েকটি থানায় আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। খবর আনন্দবাজারের।
নিহতদের মধ্যে দু’জন মেঙ্গালুরুতে ও একজন লখনউয়ের বলে জানা গেছে। সহিংসতা ঠেকাতে মেঙ্গালুরুতে কার্ফু জারি করা হয়েছে। এছাড়া ভারত জুড়ে প্রায় দেড় হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে আটক হন সীতারাম ইয়েচুরি, ডি রাজা, নীলোৎপল বসু, বৃন্দা কারাট, যোগেন্দ্র যাদব, উমর খালিদের মতো নেতারা।
লখনউয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মুহাম্মদ উকিল (২৫) নামে এক যুবক। পরিবারের অভিযোগ, সংঘর্ষের এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাঁকে গুলি করে। যদিও পলিশের দাবি, এই মৃত্যুর সঙ্গে বিক্ষোভের সম্পর্ক নেই। মেঙ্গালুরুতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন জলিল (৪৯) এবং নৌশিন (২৩)। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা মেঙ্গালুরু নর্থ থানা দখল করতে এলে গুলি চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, বিতর্কিত নতুন আইনে মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্বের ব্যাপারে কিছু না বলায় ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে বিক্ষোভের দাবানল বেশি ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে। দেশটির বিভিন্ন প্রান্তের শত শত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এই আইনের বিরুদ্ধে গত কয়েক দিন ধরে টানা বিক্ষোভ পালন করে আসছেন।