ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় মুসলিম হাইস্কুলের অর্থায়ন বন্ধ হচ্ছে

১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:২৫ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫৩ PM
স্কুল

স্কুল © সংগৃহীত

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি মুসলমানের বসবাস। তবে এবার দেশটির সরকার ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় মুসলিম উচ্চবিদ্যালয়ের (হাইস্কুল) অর্থায়ন বন্ধ করে দিচ্ছে। বিদ্যালয়টির নাম  ‘প্রাইভেট স্কুল অ্যাভেরোয়েস’। এটি ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় মুসলিম হাই স্কুল। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং প্রশ্নবিদ্ধ শিক্ষাদান পদ্ধতির অভিযোগে স্কুলটির অর্থায়ন বন্ধ করা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা গতকাল সোমবার জানান, প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও প্রশ্নবিদ্ধ শিক্ষাপদ্ধতির কারণে বিদ্যালয়টির বরাদ্দ বন্ধ করা হচ্ছে।

প্রাইভেট স্কুল অ্যাভেরোয়েস বিদ্যালয়টি ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলের লিলে শহরে এর অবস্থান। ফরাসি ভূখণ্ডের প্রথম মুসলিম বিদ্যালয় হিসেবে ২০০৩ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ২০০৮ সালে সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় স্কুলটি। এখানে আট শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। স্কুলটিতে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ফরাসি পাঠ্যক্রম অনুশীলনের পাশাপাশি ধর্ম বিষয়েও পড়োশোনা করে থাকে।

গত অক্টোবরে বিদ্যালয়টি নিয়ে রয়টার্সে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, মুসলিম বিদ্যালয়টি গুরুতর প্রশাসনিক ও আর্থিক সমস্যায় ভুগছে। সেই সঙ্গে ফরাসি মূল্যবোধের সঙ্গে যায় না, এমন কিছু বিদ্যালয়ে শেখানো হচ্ছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় দপ্তর এমনটাই জানিয়েছে।

স্থানীয় মুসলমানদের অনেকেই মনে করেন, দেশটির পরিবেশ তাঁদের জন্য দিন দিন প্রতিকূল হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালে রক্তক্ষয়ী জঙ্গি হামলার পর থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই জটিল হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী দেশটির সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুসলিম নারীদের আবায়া পরা নিষিদ্ধ করেন। এ নিয়ে তখন ব্যাপক বিতর্ক ছড়িয়েছিল।

আরও পড়ুন: ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

এদিকে প্রাইভেট স্কুল অ্যাভেরোয়েসের প্রধান শিক্ষক এরিক দুফোর রয়টার্সকে বলেন, অর্থায়ন বন্ধ কিংবা চুক্তি স্থগিতের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় অফিস থেকে তিনি এখনও কোনো নোটিস পাননি। তবে সরকার যদি এমন পদক্ষেপ নেয় তবে প্রশাসনিক আদালতে সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হবে। সরকারি বরাদ্দ বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বেতন বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হতে পারে।

ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, যুবদল নেতা মঈন গ্রেপ্তার
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে দিল্লি—দ্বিতীয় লাহোর, ঢাকা কত?
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
একাদশ-দ্বাদশের পাঠ্যপুস্তকের পাণ্ডুলিপি মূল্যায়নকারী নেবে এ…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
এআই ব্রাউজার ‘অ্যাটলাস’: গুগল ক্রোমের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ?
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
দুপুরের মধ্যে এক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬