বিয়ে ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে দুই জেলা প্রশাসক

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৪৬ PM , আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৫, ০১:২৪ PM
অনন্যা দাস ও চঞ্চল রানা

অনন্যা দাস ও চঞ্চল রানা © সংগৃহীত

কনে আসামের মেয়ে অনন্যা দাস। আইএএস অফিসার হয়ে কর্মরত আছেন উড়িশ্যায়। বর চঞ্চল রানারও কর্মক্ষেত্র উড়িশ্যার । দু’জনেই আইএএস কর্তা। দু’জনেই এর আগে বিয়ে করেছিলেন। দু’জনের বিচ্ছেদও হয়েছে।

এ বার এই দু’জনেরই চারহাত এক হতে চলেছে। রবিবার বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। মাস তিনেকের মধ্যেই বিয়ে। তবে এই দু’জনের জীবনে মিলের এখানেই শেষ নয়। বরং এত বেশি যে দু’জনেই অন্তে মিলে গিয়েছেন।

বর-কনে দু’জনেই উড়িশ্যার দু’টি জেলার জেলা প্রশাসক। অনন্যা সম্বলপুরের। রানা বোলাঙ্গিরে কর্মরত। রবিবার সম্বলপুরে হবু কনের বাড়িতেই সম্পন্ন হল বাগদানের অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হবু বর-কনের বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজনেরা।

দু’জনেই এর আগে বিয়ে করেছিলেন দুই জেলা প্রশাসককে। অনন্যার সঙ্গে বিয়ে হয় উড়িশ্যার কোরাপুটের জেলাশাসক আবদাল আখতারের। রানার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওড়িশারই রায়গড়ের জেলাশাসক স্বাধা দেব সিংহের। কিন্তু দু’জনেরই প্রথম বিয়ে বেশিদন স্থায়ী হয়নি। বিচ্ছেদের পর কাছাকাছি আসেন অনন্যা এবং চঞ্চল। অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন দু’জনেই।

এর আগে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার শীর্ষ স্থানাধিকারী টিনা দাবি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন প্রথমে এক আইএএস কর্তাকে বিয়ে এবং বিচ্ছেদের পর আরও এক আইএএস কর্তাকে বিয়ে করে। উড়িশ্যার অনন্যা এবং চঞ্চল কিছুটা একই ধরনের নজির গড়লেন।

অনন্যা ২০১৫ সালের গুজরাত ক্যাডারের আইএএস কর্তা। জেলাশাসকের দায়িত্ব পাওয়ার আগে কটক মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার ছিলেন। অন্য দিকে, রানা ২০১৪ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার। দেশের মধ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি।

ট্যাগ: ভারত
ভাত খেলেই কী ভুঁড়ি বাড়ে? যা জানালেন পুষ্টিবিদ
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
মায়ের অসমাপ্ত স্বপ্ন, নীলার ছয় বছরের লড়াই আর একটি থিসিস ডিফ…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
‘বাবা, তুমি মাকে আংটি পড়িয়ে বিয়ের প্রস্তাব দাও’
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
আলভারেজের দলবদলের স্বপ্নে ভাটা, ফিরলেন আতলেতিকোর অনুশীলনে
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ফাইনালের পর ফের ‘সহিংস আচরণ’, বিতর্কে আর্জেন্টাইন তারকা ফুট…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
‘পরশু নয়, কালকেই লং মার্চ টু ঢাকা’— সাত শব্দেই বদলে গিয়েছিল…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬