সাত কলেজের ‘স্ক্রিন সমাবর্তন’ ও কিছু কথা

১৬ নভেম্বর ২০২২, ১০:২১ PM , আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১২:৪৮ PM
সাত কলেজের ‘স্ক্রিন সমাবর্তন’ ও কিছু কথা

সাত কলেজের ‘স্ক্রিন সমাবর্তন’ ও কিছু কথা © টিডিসি ফটো

আগামী ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন। শিক্ষাখাতে যে বৈষম্য দিনে দিনে প্রকট আকার ধারণ করছে, তার একটু উদাহরণ এই সমাবর্তন। সাত কলেজের এই সমাবর্তনকে অনেকে সিনেমা হলের টিকেট কাটার সঙ্গে তুলনা করেছেন। সমাবর্তন ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ক্ষোভ ও ঘৃণা রয়েছে সাত কলেজের গ্রাজুয়েটদের।

অনেক শিক্ষার্থীই আছে জীবনে একবারও মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে স্বচক্ষে দেখেনি, সমাবর্তনে একবার দেখার পরম সৌভাগ্য হবে। সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে তাও জুটবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রহসনমূলক’ সিদ্ধান্তের কারণে।

সাত কলেজ বাদে প্রায় ১৩৩টি প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমাবর্তনে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু সাত কলেজকে সরাসরি সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যুক্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা সংকটের অজুহাত দেখাচ্ছে সাত কলেজকে। আর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে সাত কলেজের ‘মাঝা ভাঙা’ সমন্বয়ক ও অধ্যক্ষবৃন্দ। অথচ বিশাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রয়েছে, সেখানে সমাবর্তনের আয়োজন করলে সব শিক্ষার্থীরা একসাথে বসার সুযোগ পাবে। কিন্তু তা না করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজন করবে, তাতে সরাসরি অংশগ্রহণ করা থেকে বঞ্চিত থাকবে শুধু সাত কলেজ।

সমাবর্তন ঘিরে যে আনন্দ আর উচ্ছ্বাস থাকার কথা ছিল। তবে তা নেই সাত কলেজের গ্রাজুয়েটদের মনে। স্ক্রিন সমাবর্তনের দুটি ভেন্যু ঢাকা কলেজ আর ইডেন কলেজ বর্ণিল সাজে সাজানোও হয়নি। তাই তো শ্রদ্ধেয় কবি বলেছিলেন, ‘বসন্ত নয়, আমার দরজায় প্রথম কড়া নেড়েছিলো অবহেলা।’ সাত কলেজের প্রতি এত অবহেলা কেন? কবে ঘটবে এসব বৈষম্যের অবসান?

আরও পড়ুন: ঢাবির স্ক্রিন সমাবর্তনের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

আমার কাছে মনে হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা প্রতিটি যৌক্তিক দাবি আদায়ে নীলক্ষেতে আন্দোলনে নামুক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লজ্জা থাকা উচিত। অধিভুক্তির পাঁচ বছরেও এখন পর্যন্ত কোনো নীতিমালা তৈরি করতে পারেনি। বিষয়গুলো এমন হয়ে দাঁড়াচ্ছে, ‘কাজ করলে করলাম, না করলে তো নাই, মাস শেষে তো সরকারের বেতন পকেটে আসবেই, লাগবে না কোনো জবাবদিহি।’

পরিশেষে একটা কথাই বলবো, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নেই। বৈষম্যের কালো হাত ভেঙে দাও, চুরে দাও। আর, সৃষ্টিকর্তার কাছে বলতে ইচ্ছা করে, হে মহান প্রভু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সুবুদ্ধির উদয় দান করো আর বৈষম্য-ভোগান্তি থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে রক্ষা কর।

হাসনাত আবদুল্লাহর আসনে বিএনপি জোটের ‘নতুন প্রার্থী’ ঘোষণা
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনের প্রতিবাদে নোবিপ্রবিতে মানব…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
মব সৃষ্টি করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরে ঢুকে মারধর, ৮ কর্মক…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩৫ হাজার টাকা করে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে পে …
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও কোটায় বিসিএস, ২১ জনের বিরুদ্ধে…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
সিলেটকে হতাশায় ডুবিয়ে ফাইনালে রাজশাহী
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬