অভিযোগ রফিকুল্লাহ আফসারীর
ইসলামী বক্তা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক রফিকুল্লাহ আফসারী © টিডিসি সম্পাদিত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক রফিকুল্লাহ আফসারী। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে নিজের পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি দাবি তোলেন, প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ অবশ্যই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে হতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে পরিণতি ভালো হবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ দিতে প্রায় ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া হয়। সে হিসেবে প্রায় ১৪ হাজার প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে একজনের কাছ থেকে গড়ে ২০ লাখ টাকা করে নেওয়া হলে মোট অর্থ দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ‘চাঁদাবাজির ধান্দা’।
রফিকুল্লাহ আফসারী আরও বলেন, প্রয়োজন হলে তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত আছেন, তবে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি বাতিল মেনে নেবেন না। তিনি মেধাবী শিক্ষকদের সতর্ক থাকার আহবান জানান এবং প্রয়োজনে আবারও আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দেন।
আরও পড়ুন: ‘আমরা এটা চাইনি’ — আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা নিয়ে মির্জা ফখরুল
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এদিন তিনি প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ আগের মতো রাখার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এনটিআরসিএকে একটি দুর্নীতির আখড়া হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। নিয়োগ বানিজ্য, নিয়োগ অনিয়ম, সনদ প্রদানে অনিয়মসহ নানাবিধ দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে অকার্যকর করে তোলা। অতি সম্প্রতি অধিকতর বানিজ্য করার লক্ষ্যে প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ লাভের ক্ষমতা কবজা করে নিয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে রাজনৈতিক নেতাদের বহাল রাখতে হবে। একজন এমপি যেন অন্তত তিনটি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি থাকতে পারেন। ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করার দাবিও জানান এ শিক্ষক নেতা।