এনটিআরসিএর সভা কাল, আলোচনায় ৫ ইস্যু

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩৯ PM
এনটিআরসিএ

এনটিআরসিএ © ফাইল ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী সুপার নিয়োগ নিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল করতে সভা ডাকা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় এ সভায় পাঁচটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের আবেদন শেষ হবে। আবেদন শেষ হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন থেকে শুরু করে অন্যান্য কার্যক্রমের সময়সীমা নির্ধারণ করে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ কমিটির সভা ডাকা হয়েছে।’

সভার আলোচ্যসূচিতে কোন বিষয়গুলো রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়, লিখিত পরীক্ষার ফল কবে প্রকাশ করা হতে পারে, মৌখিক পরীক্ষা শুরুর তারিখ, ভাইভায় কতটি বোর্ড হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে নাগাদ শেষ করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে। বিষয়গুলো নিয়ে আমরা একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে চাই। এ রোডম্যাপ অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

এদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ সংক্রান্ত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০ টাকা। পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদের শূন্যপদও নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ রয়েছে ১০ হাজার ২৭৮টি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে শূন্যপদের সংখ্যা ১৯০টি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ৩ হাজার ১৩১টি শূন্যপদ। তিন অধিদপ্তর মিলিয়ে মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৫৯টি।

এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য তিনটি অধিদপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় স্নাতক পাস কলেজে অধ্যক্ষ পদে ৫৮৪টি এবং উপাধ্যক্ষ পদে ৬২৭টি শূন্যপদ রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৫১১টি এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ পদে ২৫৭টি শূন্যপদ রয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে ৩ হাজার ৯২৩টি এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৩ হাজার ৮৭২টি শূন্যপদ রয়েছে। নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫০৪টি। এ খাতে মোট শূন্যপদ ১০ হাজার ২৭৮টি।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যক্ষ পদে ১১০টি, ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানে সুপারিনটেনডেন্ট পদে ৪০টি এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে ৪০টিসহ মোট ১৯০টি শূন্যপদ রয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় কামিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ৩৪টি ও উপাধ্যক্ষ ৫৩টি শূন্যপদ রয়েছে। ফাজিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২০২টি ও উপাধ্যক্ষ ৩৪৩টি, আলিম পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২১৯টি ও উপাধ্যক্ষ ৩৭৭টি শূন্যপদ রয়েছে। এছাড়া দাখিল পর্যায়ে সুপারিনটেনডেন্ট পদে ৮৯৯টি এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে ১ হাজার ৪টি শূন্যপদ রয়েছে। সব মিলিয়ে মাদরাসা শিক্ষায় শূন্যপদের সংখ্যা ৩ হাজার ১৩১টি।

সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার আবেদন লিংকও উল্লেখ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd
 ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট (https://ntrca.gov.bd) এবং টেলিটক পোর্টালে পাওয়া যাবে।

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন ফি ২৫০ টাকা, যা ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে জমা দেওয়া যাবে।

নিয়োগ পরীক্ষায় মোট নম্বর ১০০। এর মধ্যে এমসিকিউ পরীক্ষায় ৮০ নম্বরের জন্য সময় থাকবে এক ঘণ্টা। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য বরাদ্দ ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর। পাসের জন্য প্রতিটি ধাপে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে।

এমসিকিউ পরীক্ষায় মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

পরীক্ষার বিষয় হিসেবে থাকবে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আইন, বিধি-বিধান, নীতিমালা ও পরিপত্র, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরভিত্তিক নির্ধারিত বিষয়সমূহ।

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে বাধা থাকছে না, দ্রুততম সময়ে…
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির প্রার্থীর প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নাহিদের লিভ টু আপি…
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণ, শতাধিক দগ…
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতায় সাত নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থায় …
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৫০তম বিসিএসের প্রিলির ফল নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল পিএসসি
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি জোট পেতে পারে ২০৮টি আসন, জামায়াত ৪৬
  • ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!