ই-সনদ ও গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চান ১৮তম নিবন্ধনে লিখিত উত্তীর্ণরা

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩ PM , আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:০৪ PM
ই-সনদ ও গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চেয়ে আন্দোলন করছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিততে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা

ই-সনদ ও গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চেয়ে আন্দোলন করছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিততে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা © ফাইল ছবি

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সনদ প্রদান এবং গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চেয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ আবেদন জানান তারা। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে লিখিত উত্তীর্ণ অনশনরত প্রার্থীদের পক্ষে মোসা. লিপি-আরা খাতুন, মুরশিদা আক্তার ও আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আবেদন করেছেন।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষা থেকে বৈষম্যমূলকভাবে বাদ পড়া চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪ জুন প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে চরম বৈষম্য, স্বেচ্ছাচারিতা এবং বিধিবহির্ভূতভাবে আমাদের অনুত্তীর্ণ করানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তা নিকট বারবার সমাধানের উদ্দেশ্যে গিয়েও তারা ফিরে এসেছেন। 

তারা বলেন, পিএসসির মতো প্রতিষ্ঠান বিসিএসের মতো পরীক্ষার ফলাফল পর্যন্ত বাতিল বা পুনঃমূল্যায়ন করতে পারে, সেখানে ২০ হাজার ৫৭৫টি প্রার্থীর পরিবারের সাথে হওয়া এত বড় বৈষম্য সমাধানে এনটিআরসিএ’র স্বেচ্ছাচারিতা প্রমাণিত হওয়ার পরেও যথোপযুক্ত সমাধান পাওয়ার জন্য আমাদের পুনরায় আপনার দ্বারপ্রান্তে আসতে হলো। কয়েকজন অনশনব্রত হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করে আসছিলেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা সচিব বিষয়টি সমাধান করবেন বলে মৌখিক আশ্বাস দিলে তারা অনশন ভঙ্গ করে জাতীয় প্রেসক্লাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। 

১৮তম নিবন্ধনের ই-সনদে ভাইভার নম্বর অনুপস্থিত- যা ফলাফলের স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করে উল্লেখ করে তারা বলছেন, বিগত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাগুলোয় (১-১৩তম) ভাইভা ছিলই না এবং (১৫-১৭তম) পরীক্ষায় ভাইভা ছিল, সনদে ভাইভা নম্বর যুক্ত ছিলো কিন্তু মেধাতালিকা বা চাকরি প্রাপ্তিতে এ নম্বর সহায়ক ছিল না। উল্লেখযোগ্য, ১৮তম ই-সনদে ভাইভা নম্বর যুক্তই হয়নি, বরং ২০ হাজার ৫৭৫ জন প্রার্থীকে স্পষ্ট বৈষম্যের শিকার করানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে চাকরি, পদ ১১, নেবে কর্মকর্তা-কর্মচারী

তারা আরও বলেন, ভাইভার নম্বর যদি যুক্ত না-ই হয়, এ নম্বর যদি মেধাতালিকায় প্রভাব না-ই ফেলে; লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতেই যদি সনদপত্র দেওয়া হয়, তাহলে ১-২ মিনিটের ভাইভায় শুধু বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে লিখিত পরীক্ষায় সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ৮০-৯০ পাওয়ার আশাবাদী প্রার্থীও ফেল করা অযৌক্তিক। একই বিষয়ের কোনো বোর্ডের ৩০ জনের ২৮ জনই পাস করেছেন, আবার কোনো বোর্ডে ৩০ জনের মধ্যে ২৮ জনই ফেল করেছেন। 

চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, বিগত নিবন্ধন পরীক্ষাগুলোর ভাইভায় উত্তীর্ণ হয়ে যারা পাস করেছেন, মেধাতালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করে পাঠদান করছেন তারাও অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। সব কিছু জেনে-বুঝে সচিব আশ্বস্ত করেছিলেন, ১৮তম চূড়ান্ত উত্তীর্ণদের নিয়োগের পর সনদ দিয়ে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ করে দেবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ’র পরবর্তী মিটিংয়ে বিষয়টি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তারা আবদনে লিখিত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভার ফলাফলে বৈষম্য নিরসন করে ই-সনদ প্রদান, মেধাতালিকায় সংযুক্তি এবং গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চেয়েছেন।

 

মানবাধিকার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড পারিশ্রমিক ঘোষণা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি সিনোভিয়া ফার্মায়, নেবে সেলস এক্সিকিউটিভ
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবিধানের দোহাই দিয়ে নতুন ফ্যাসিবাদের পথে সরকার: এবি পার্টি
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সদস্য সংগ্রহ করছে ঢাবির ‌‘ভয়েস অব বিজনেস’
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
জার্মানিতে বিক্রমপুর-মুন্সিগঞ্জ সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬