কপাল পুড়ছে দ্বিতীয় বিভাগ না পাওয়া সহকারী মৌলভীদের

২৫ এপ্রিল ২০২৩, ১১:০৬ AM , আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৯ AM
ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষক

ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষক © ফাইল ফটো

ফাজিল পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগ না পেলে সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এজন্য সহকারী মৌলভী পদে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের সনদ যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এক পরিপত্রের আলোকে সহকারী পদে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের সনদ যাচাই করা হচ্ছে। গত ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রার্থীদের সনদ জমা নিয়েছে এনটিআরসিএ।

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী মৌলভীদের সনদ যাচাই করার কাজ চলমান রয়েছে। সনদ যাচাইকালে যারা ফাযিল পর্যায়ে দ্বিতীয় বিভাগ পাননি তাদের নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে না। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ থাকায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএ’র শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান শাখার এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ফাজিলে দ্বিতীয় বিভাগ না থাকলে সহকারী মৌলভী পদে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে না। আমরা সনদগুলো যাচাই করছি। সনদ যাচাই শেষে কতজনের সুপারিশ বাতিল হবে তা বলা যাবে।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সচিব মো, ওবায়দুর রহমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা সনদ যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিষয়ে আমাদের করার কিছু নেই। অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয় চাইলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এদিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহালের দাবি জানিয়ে মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তরা। তারা বলছেন, ফাজিলের ক্ষেত্রে ২.৮১ কে দ্বিতীয় বিভাগ ধরা হচ্ছে। তবে সিজিপিএ ৪.০০ স্কেলে দ্বিতীয় বিভাগ ধরা হয় ২.০০ সিজিপিএকে। এই অবস্থায় অনেকের দ্বিতীয় বিভাগ থাকলেও সিজিপিএ কম থাকায় তাদের সুপারিশ করা হবে না।

তাদের দাবি, প্রথম থেকে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ফাজিল পর্যায়ে দ্বিতীয় বিভাগ থাকলেও নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। হঠাৎ করে ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে এমন নিয়ম করা সমীচীন হয়নি। এছাড়া যদি এমন কোনো নির্দেশনা থাকত তাহলে তাদের নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ করা হলো কেন? প্রাথমিক সুপারিশ থেকেই তাদের বাদ দেওয়া উচিৎ ছিল।

মো. তসলিম উদ্দিন নামে জয়পুরহাটের এক প্রার্থী জানান, ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে আমি সহকারী মৌলভী পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার পরিবারের সবাই ধরেই নিয়েছে যে আমার চাকরি নিশ্চিত। তবে হঠাৎ করে এমন হটকারী সিদ্ধান্তের কারণে এখন আমার স্বপ্ন শেষ হওয়ার দিকে।

আরেক চাকরিপ্রার্থী জানান, এনটিআরসিএ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে আমার অনুরোধ প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে যেভাবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকুক। এটি না হলে অনেকের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। অনেকেই তার পরিবারের কাছে আর কখনো মুখ দেখাতে পারবে না।

জনগণ চাঁদাবাজদের নির্বাচিত করতে চায় না: নূরুল ইসলাম বুলবুল
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
শেকৃবিতে বিনামূল্যে জলাতঙ্কের টিকা পেল শতাধিক পোষা প্রাণী
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমন থাকবে যে, ব্যালট ছিনতাই অ…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি নেতাকে গুলি, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা বললেন…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত আমির প্রার্থীদের কেমন বক্তব্যের নির্দেশনা দিয়েছেন, …
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপিতে যুক্ত হয়েছি মানে এই নয় যে, তাদের সব সিদ্ধান্তে ‘জি…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬