সিলেটে বন্যা

চরে আটকা পড়েছে লঞ্চের শতাধিক যাত্রী— সবাই শিক্ষার্থী, উদ্ধারের আকুতি

বন্যা
সিলেটে ভয়াবহ বন্যা  © সংগৃহীত

সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার পানিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থী আটকে পড়েছেন। তাদের উদ্ধারের আকুতি জানিয়েছেন। বিষয়টি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন সেখানে আটকে পড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শোয়েব আহমেদ।

জানা যায়, আজ শনিবার দুপুর দুইটার দিকে পুলিশ লাইন্স থেকে কপোতাক্ষ অনির্বাণ ট্যুরিজম বোট'' নামের লঞ্চে করে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ জন ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীসহ শতাধিক শিক্ষার্থী সিলেট শহরের দিকে রওনা করেন। কিন্তু রাত সাড়ে আটটার দিকে তারা সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর চরে আটকা পড়েন। সেনাবাহিনী ও জরুরি সেবায় ৯৯৯ এ ফোন করেও তারা কোন প্রকার সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে জানা যায়।

আটকে পড়া শিক্ষার্থী শোয়েব আহমেদ জানান, রাত হয়ে গেছে। এখানে খুব অন্ধকার। চারিদিকে পানি আর পানি। আমরা সেনাবাহিনীকে বলেছি। কিন্তু কেউ ঠিকমতো সাহায্য করতে পারছে। এখানে প্রচুর স্রোত চলছে। প্রচুর বৃষ্টিও হচ্ছে। এই রাতে সবাই জীবন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি। জরুরি ভিত্তিতে আমাদের উদ্ধার করার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও জানান, আমরা সেনাবাহিনী ও ৯৯৯ এ ফোন দিয়েও কোন রেসপন্স (সাড়া) পাচ্ছি না। ঝুঁকি নিয়ে সেনাবাহিনীও আসতে ভয় পাচ্ছে। আমরা যেখানে আছি তার চারপাশে কেউ নাই। চারদিকে শুধু পানি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা তাদেরকে উদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ওখানকার প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে। আমরা তাদেরকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।

তাদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর একটি টিম কাজ করছে বলে জানান ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর। তিনি বলেন, আমি সেনাবাহিনীর আইএসপিআর জাহিদ মালেকের সাথে কথা বলেছি। তিনি সেখানে একটি টিম পাঠাচ্ছেন। তাদের উদ্ধারে কাজ চলছে। এছাড়া আমি ওই বোটের চালকের সাথেও কথা বললাম।


x