ঈদযাত্রা © সংগৃহীত
এবছর ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর চাপে যাতায়াত ব্যবস্থা কোমায় চলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তাদের শঙ্কা, ২৫ রোজার পর থেকে সড়ক-মহাসড়কে তৈরি হবে অচলাবস্থা।
আজ রোববার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ঈদযাত্রায় অসহনীয় যানজট, পথে পথে যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের দাবি’ শিরোনামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, আগামী ২৫ রমজান থেকে ঈদ পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানী অচল হয়ে যাবে। এবারের ঈদে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, পরিবহন সংকট, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে নৈরাজ্য চালাতে কিছু কিছু পরিবহন মালিক-চালকরা মরিয়া হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন- যেকোনো সময়ে ছাত্রদলের কমিটি, আলোচনায় যারা
সংবাদ সম্মেলনে বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনা গবেষণাকেন্দ্রের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের তথ্য বলছে, ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ ঈদের সময় বাড়িতে গেছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত দুই বছরে চার ঈদে মানুষ গ্রামে কম গেছে। আমাদের তথ্য বলছে, প্রতি ঈদে কমপক্ষে ৬০ লাখ মানুষ গ্রামে গেছেন। আমাদের চলমান একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঈদের আগে চার দিনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। এ সময় প্রতিদিন বাসে ৮ লাখ, ট্রেনে ১ লাখ, লঞ্চে দেড় লাখ, ব্যক্তিগত গাড়িতে প্রায় ৪ লাখ, মোটরসাইকেলে প্রায় ৪ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারবেন। বাকি প্রায় ১২-১৩ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়বে ট্রাক, ট্রেনের ছাদে করে। তখন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাবে।