ঈদে বাড়ী ফেরা © ফাইল ছবি
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদের কারণে ৮ দিনের শিথিলের মেয়াদ আরো ৪ দিন বাড়ানোর দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ, পথে পথে যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে মানুষের গাদাগাদি কমাতে এই দাবি জানিয়েছে।
সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী আজ বুধবার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্যরা যখন কারফিউ জারির পরামর্শ দিয়েছেন, তখন মানুষের জীবন ও জীবিকার কথা বিবেচনা করে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আগামী ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আজ ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাত্র ৮ দিনের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করে সব ধরনের গণপরিবহন চালুর কথা বলা হচ্ছে। এর ফলে রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ ৭ দিন যাবত পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ঈদুল আজহার পরের দিন ২২ জুলাই মাত্র একদিনে গ্রামের বাড়ি থেকে রাজধানীতে বা কর্মস্থলে পৌঁছানো সম্ভব নয়। কারণ আমাদের দেশে রাস্তা-ঘাট ও গণপরিবহনে নানা ধরনের সংকট রয়েছে। তাই বিধিনিষেধ শিথিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানান বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব।
বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, অন্যথায় ২২ জুলাই কর্মস্থলে ফেরার জন্য একদিনে সবাই রাস্তায় নামবে। এত যানজট ও জনজট হবে। ফলে ফেরিঘাট, টার্মিনাল ও স্টেশনে মানুষের গাদাগাদিতে ভয়াবহ ভোগান্তির সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাবে। এর ফলে বিগত ১৪ দিনে ব্যাপক ক্ষতির শিকার করে কঠোর লকডাউনের অর্জিত ফলাফল শূন্যের কোটায় পৌঁছাবে বলে মনে করেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী।