প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা © ফাইল ফটো
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে গভীরভাবে প্রভাবিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। সুতরাং, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য একটি সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের প্রয়োজন।
আজ বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক এডুকেশন অ্যাবোভ অল ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে টু প্রোটেক্ট এডুকেশন ফ্রোম অ্যাটাক’ শীর্ষক সেমিনারে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমমন্ত্রী বলেন, করোনা সংকট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সরকার অলস বসে থাকেনি। শিক্ষার্থীদের জন্য টেলিভিশন ও অনলাইনে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনায় যুক্ত থাকে সেজন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
শেখ হাসিনা তার রেকর্ডকৃত বার্তায় একই সঙ্গে প্রতিটি পরিস্থিতিতে শিক্ষা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুনর্নির্মাণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা অবশ্যই বিভিন্ন দেশকে কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।
এই সংকটে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন যে কোনো পরিস্থিতিতে শিক্ষা সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা নিশ্চিতভাবে কাঙ্ক্ষিত ভবিষতের দিকে নিয়ে যাবে।
বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তার চিন্তাকে অনুসরণ করে আমরা শিক্ষায় ব্যাপক বিনিয়োগ করছি। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুসহ প্রত্যেক শিশুর শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে নানা ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভার্চুয়াল এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ভিডিওবার্তা দেন ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট লুইস অ্যাবিনডার, জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট জারিয়া প্রমুখ।