অনেক জল্পনা-কল্পনার পর দেশের বিজ্ঞানীদের অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট উদ্ভাবনের সাফল্য প্রমাণিত হয়েছে। এদিকে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী কিটের প্রাথমিক অগ্রগতিতে সন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তিনি ১৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি পেয়েছেন।
তিনি বলেছেন, আগামীকাল শনিবার অ্যান্টিজেন কিট (যেটি দিয়ে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারিজ চেইন রিঅ্যাকশন বা আরটিপিসিআরের মতো দ্রুত রোগ শনাক্ত করা যাবে) বিএসএমএমইউতে জমা দেবেন।
বিএসএমএমইউ কর্তৃক তাদের উদ্ভাবিত কিটের বিষয়ে ৭০ শতাংশ কার্যকারিতাকে নয় বরং প্রতিষ্ঠানটির সুপারিশ বাস্তবায়ন করাকে বিষয়টি উল্লেখ করা বড় বিষয় মনে করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, এখন তিনি ঔষধ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
এর আগে জানতে চাওয়া হলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেছিলেন, ইতিবাচক প্রতিবেদন পেলে তিনি নিবন্ধন দেবেন। এমনকি বিশেষজ্ঞ কমিটিতেও পাঠাবেন না।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্যের নামকরণ করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজেই। আবার বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা আরেক প্রতিষ্ঠানের অর্থাৎ বিএসএমএমইউর বিশেষজ্ঞ দল গণস্বাস্থ্যের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতার প্রমাণ পেয়েছেন।
তিনি বলেন, এখন দরকার দ্রুত অগ্রসর হওয়া। গণস্বাস্থ্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে জাতির এক মহাদুর্যোগের দিনে ১৭ কোটি মানুষের জীবনে সরাসরি একটি সুসংবাদ বয়ে এনেছে। সবারই অভিনন্দন প্রাপ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই একটা আশা নিয়ে গণস্বাস্থ্যের জন্য কতগুলো বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে দিয়েছিলেন, সেটাও ফলপ্রসূ হয়েছে।