জামায়াত, এনসিপি ও জাগপার লোগো © টিডিসি সম্পাদিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম সামনে এসেছে। জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশনা দিয়েছে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, জামায়াতের ১৩টি আসনের বিপরীতে এখন পর্যন্ত সাতজনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন— মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম এবং মানবসম্পদ ও আইন বিভাগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি। এছাড়া অঞ্চলভিত্তিক মনোনয়নে সিলেট থেকে মাহফুজা সিদ্দিকা, চট্টগ্রাম থেকে মেরিনা সুলতানা, বগুড়া থেকে সাজেদা সামাদ এবং ঢাকা অঞ্চল থেকে মারদিয়া মমতাজের নাম উঠে এসেছে।
জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকেও বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের নাম প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। এছাড়া দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের নামও জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের নারী প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই তাদের নাম জানানো হবে। এনসিপি একটি আসন পাচ্ছে, আনুপাতিক হারে আরও একটি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয় মনিটরিংয়ে ইউজিসির বাইরে আলাদা সেল হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
এদিকে এনসিপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছে, সংসদ সদস্যের অনুপাতে দলটির একটি আসন পাওয়ার কথা থাকলেও তারা দুটি আসনের দাবি জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং আইনগত বিষয়গুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সূত্রটি আরও জানায়, এনসিপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন অনেকটাই চূড়ান্ত। আরেকটি আসন পেলে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকেও মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পাবে ৩৬টি, জামায়াত পাবে ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা পাবে একটি আসন। ছয়জন স্বতন্ত্র এমপি একজোট হয়েছেন। বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং জামায়াতের সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক দল রয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও রুমিন ফারহানা কোনো জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।