করোনাভাইরাস
© ফাইল ফটো
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, অনেক মানুষ প্রয়োজন না থাকার পরও টেস্ট করছেন। আবার একাধিকবার টেস্ট করছেন অনেকে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম তাদের টেলিফোন নম্বর বা এনআইডি দিয়ে তাদের শনাক্ত করার। যাতে কেউ অপ্রয়োজনীয় টেস্ট না করেন। শুক্রবার (১২ জুন) ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, শুরুতে করোনার শনাক্তে মানুষের চাহিদা এতটা বেশি ছিল না। প্রথম কেস শনাক্ত হওয়ার পর একটা আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং মানুষের মধ্যে পরীক্ষার চাহিদা বেড়ে যায়। তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলল, যত বেশি টেস্ট করা যায় তত ভালো। আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা যাবে, তারা রোগ ছড়াবে না।
করোনার পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে ডা. আজাদ বলেন, এই রোগটার বিরুদ্ধে শরীরের মধ্যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। কাজেই প্রতিটি মানুষ সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যতক্ষন পর্যন্ত একটা ভ্যাকসিন আবিস্কার না হবে, এটা প্রয়োগ করা না হবে ততক্ষণ এটা চলমান থাকবে। আমাদের পরিকল্পনা হলো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা।
নিয়মিত করোনাভাইরাসের ব্রিফিং নিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি অবশ্যই কষ্টসাধ্য। কিন্তু কাজটা আমরা করে যাচ্ছি। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে, এটা আর এক মাস দুই মাসের বিষয় থাকছে না। যতদিন ভ্যাকসিন আবিস্কার না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত চলতেই থাকবে। এটা আরো লম্বা হতে পারে। এখন আমরা প্রতিদিন ব্রিফিং দেবো নাকি কি করব, সেটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করছি। সাংবাদিকদের সঙ্গেও আলোচনা করব।