সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ সোমবার হতাশা ব্যক্ত করেন। আদালত জানান, আগামী ১৪ নভেম্বর এ মামলার সন্দেহভাজন আসামি তানভীর রহমানের জামিন আবেদনের ওপর আদেশ দেয়া হবে।
আট বছরেও মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় সন্দেহভাজন আসামি মো. তানভীর রহমান হত্যা মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছিলেন উচ্চ আদালত। আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। ২০১৪ সালের ৩ ডিসেম্বর আসামি তানভীর রহমান হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। এ মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ৮ আসামি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার শফিকুল আলম জানিয়েছেন, তদন্তে কোনো ক্লু (সূত্র) পাওয়া যায়নি। চারটি ডিএনএ প্রতিবেদনের মধ্যে দুটি মিলেছে। এ দুটিতে আসামিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে সেগুলো ফের যুক্তরাষ্ট্রে এফবিআইর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তাসম্পাদক গোলাম মোস্তফা সরোয়ার ওরফে সাগর সরোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের নিজ বাসায় খুন হন। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।