আন্দোলনের মাধ্যমে পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা বরদাস্ত করবে না পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার

১২ জুলাই ২০২৪, ০৩:০২ PM , আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৫, ১১:৪১ AM
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান © ফাইল ছবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, আন্দোলন করতে গিয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার চেষ্টা করলে পুলিশ বরদাস্ত করবে না। আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ক্র্যাবের স্পোর্টস কার্নিভ্যাল উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তিনি। 

তিনি বলেন, ‘আদালতের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত এবং আদালতের নির্দেশনা মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার চেষ্টা করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে সেটি বরদাস্ত করা হবে না।’ 

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সড়ক ও রেল আটকে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাঁদের অবরোধে চরম ভোগান্তিতে পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এ কোটা পদ্ধতি সংস্কার করে সব ধরনের কোটা ১০ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার দাবিতে ওই বছর আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে ওই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ৪ অক্টোবর পরিপত্র জারি করে সব ধরনের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটাব্যবস্থাই বাতিল করে সরকার।

ওই সময় ৩০ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান-নাতি-নাতনি কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, ১০ শতাংশ জেলা কোটা, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কোটা ও ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা চালু ছিল সরকারি চাকরিতে। ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নবম গ্রেড থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে সব ধরনের কোটা বাতিল করা হয়।

ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা ২০২১ সালের জুন মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলে সরকারি চাকরিতে ৯ম গ্রেড থেকে ১৩ম গ্রেড পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে জারি করা পরিপত্র কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

রিটের শুনানি নিয়ে ৫ জুন ঘোষণা করা রায়ে হাইকোর্ট পরিপত্রের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা বাতিলের অংশটি অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপরই শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা আবার ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে’র ব্যানারে নতুন করে কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু করেছেন।

 
নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ‘মিথ্যা বয়ান’ থেকে বের করে বাস্তবভি…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে নিরাপত্তার আকুতি জানালেন এমপি হান্নান মাসউদ
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
আবাসন সমস্যা সমাধানের দাবিতে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও করল ডাকসু
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ওএমআর মূল্যায়ন করছে বুয়েট, ফল বুধব…
  • ২০ এপ্রিল ২০২৬