তরুণ প্রজন্ম পড়াশোনা করে না: মির্জা ফখরুল

০২ জুন ২০২৪, ০৩:৩৮ PM , আপডেট: ০২ আগস্ট ২০২৫, ০৩:২৭ PM
অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল

অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল © সংগৃহীত

এখনকার তরুণ প্রজন্ম পড়াশোনা করে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি সমর্থন করি না। কিন্তু তাদের রাজনীতির যে কৌশল, তা অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত। ঠিক কমিউনিস্ট পার্টির মতো।

এর ব্যাখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, তাদের যে ছাত্রশিবির, তাদের স্টাডি সেল আছে। তাদেরকে লেখা-পড়া করতে হয়, বই পড়তে হয়। বই পড়ে তাদেরকে উত্তর দিতে হয়। তারা নিজেরা বই এবং পত্রিকা প্রকাশ করে। এগুলো যদি আপনার চর্চার মধ্যে না থাকে, আর জ্ঞানের চর্চা ও জ্ঞান ছাড়া আপনি কখনো সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। 

আজ রবিবার (২ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)।

বর্তমান সরকারকে ‘বর্গি’ দাবি করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পত্রিকা খুললে শুধু লুট আর লুট। তারা দেশ থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করছে। ক্ষমতা চলে গেলেই বিদেশে চলে যাবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, যারা রাষ্ট্রের বড় দায়িত্বে, তারা লুটপাট করছে। সংসদ সদস্য চোরাচালানে জড়িত। শেয়ারবাজারে রথী–মহারথীরা লুটপাট করছে। কেউ দরবেশ, কেউ সন্ন্যাসী বেশে এসব কাজের সঙ্গে জড়িত। কোনো জবাবদিহি নেই, চিন্তা নেই। একটাই ভাবনা—ক্ষমতায় থাকতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে রক্ষী তৈরি করেছে এই সরকার।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঋণের বোঝায় ডুবিয়ে দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, মাথাপিছু ঋণ এখন ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন শর্তে যেসব ঋণ নেওয়া হচ্ছে, সুস্থ মানুষের দেশপ্রেম থাকলে এগুলো করতে পারত না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সব প্রতিকূলতা থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে জিয়াউর রহমানকে জানতে হবে বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু স্লোগান দিয়ে রাজনীতি করলে হবে না। জেনেশুনে রাজনীতি করতে হবে। জিয়াউর রহমানকে বুঝতে হলে তাঁর কাজের গভীরে যেতে হবে। এখন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলা যায় না। সত্য বললে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দিয়ে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নূরুল আমিন ব্যাপারী বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্র ও জাতি গঠন শুরু করেছিলেন। জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ গড়তে শুরু করেছিলেন জিয়াউর রহমান। শিক্ষার মাধ্যমে দেশকে উন্নত করতে চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্যসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, রাজনীতিকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে ইমার্জিং টাইগারে পরিণত করেছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম বলেন, বইপুস্তক থেকে জিয়াউর রহমানকে মুছে ফেলা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানাতে তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে ছোট ছোট বই প্রকাশ করা হবে।

 
সাড়ে তিন মাসে ১০৩টি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে: রাকসুর ভিপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সনদপত্র যাচাই, শিক্ষককে শুনানির জন্য ডাকল এনটিআরসিএ
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‎প্রকৌশল ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসনে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের বাধা…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নানা নাটকীয়তার পর আসনটিতে ফিরছে ‘দাঁড়িপাল্লা’
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একজন দলে ফেরালেও ৪ জনকে বহিষ্কার করল বিএনপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৮তম বিশেষ বিসিএসে ৩২৬৩ চিকিৎসকের যোগদান
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬