© সংগৃহীত
ওয়ার্কওভারের পর কৈলাসটিলায় নতুন গ্যাস পাওয়া গেছে। এখানে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
রবিবার (২৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই গ্যাসের দাম দেশীয় গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করলে তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা। আর আমদানি করা গ্যাস এলএনজির দাম হিসাব করলে প্রাপ্ত নতুন দাম পড়বে ৯ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।’
তিনি বলেন, ‘গত ৭ থেকে ৮ মাসে আমাদের গ্রিডে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট নতুন গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বেশকিছু কূপে নতুন গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেগুলো প্রসেস প্ল্যান্ট এবং সঞ্চালন লাইন রেডি না হওয়ায় গ্রিডে আসতে পারছে না।’ তিনি আশা করছেন, প্রসেস প্ল্যান্ট এবং সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজ সমান্তরালভাবে চললেও এসব গ্যাস গ্রিডে যোগ করতে দুই বছরের মতো সময় প্রয়োজন হবে।
নসরুল হামিদ বলেন, ‘ভোলা গ্যাসক্ষেত্র আশা দেখাচ্ছে।’ ভোলার গ্যাস গ্রিডে আনার জন্য পাইপলাইন নির্মাণে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এদিকে সিলেট-১০ এর যে কূপে গ্যাস পাওয়া গেছে, সেখানকার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হতে সময় লাগবে ছয় থেকে সাত মাস।’
তিনি জানান, এখন প্রতি দিন দু্ই হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। এরমধ্যে দেশীয় খনি থেকে গড়ে ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। বাকিটা আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে।