২৭ মণ ওজনের গরুটিকে কিনলেই ছাগল ফ্রী © সংগৃহীত
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদ উপলক্ষে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পশুর হাটও। অনেক হাটে ক্রেতাদের আকর্ষণে ব্যতিক্রমী সব উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে বিক্রেতাদেরও। এই বিক্রেতাদেরই একজন বাগেরহাট সদরের কাপুড়পুড়া এলাকার মো. মুরাদ খান।
খুলনা নগরীর জোড়াগেট কুরবানির পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে এনেছেন তিনি। তার গরুটি কিনলে একটি খাসি ফ্রি দেয়া হবে। লাল, সাদা ও কালচে বর্ণের গরুটির নাম শান্ত। ২৭ মণ ওজনের গরুটির সঙ্গে এক মণ ওজনের লাল রঙের একটি খাসি উপহার দিবেন গরুর মালিক।
সোমবার (২৬ জুন) বিকেলে নগরীর জোড়াগেট কুরবানির পশুর হাটে শান্তকে দেখার জন্য ভিড় করে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা।
মো. মুরাদ খান জানান, গরুটিকে তিনি তিন বছর আগে কিনে আনেন। তখন গরুটির বয়স ছিল ১ বছর। ওইসময় থেকেই বাড়ির গরুটিকে গোয়ালে সন্তানের মতো লালন-পালন করছেন। গরুটি বেশ শান্ত স্বভাবের হওয়ায় গরুটির নাম রেখেছেন শান্ত।শান্তর ওজন এখন প্রায় ২৭ মণ।
শান্ত'র সাথে যেই ছাগলটি ফ্রী দেয়া হবে সেই ছাগলটিকেও একই গোয়ালে আড়াই বছর ধরে পালন করছেন তিনি। লাল রঙের ছাগলটির ওজন বর্তমানে প্রায় এক মণ।
মুরাদ বলেন, যে শান্তকে কিনবে তাকে খাসিটি উপহার দিবেন। শান্তর দাম ১০ লাখ টাকা চেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ টাকা দাম উঠেছে। ৯ লাখ টাকা উঠলে শান্তকে ছেড়ে দিবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রোববার সকালে গরু ও ছাগল দুটি এনেছেন। এই হাটেই শান্তকে বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আাশাবাদী।
হাটে শুধু শান্তই নয়; ছোট, বড় ও মাঝারি সাইজের শত শত গরু-ছাগল মিলছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের এই হাটের কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, গত ২২ জুন থেকে শুরু হওয়া এই হাটে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ১৭০টি গরু ও ছাগল বিক্রি হয়েছে।