এক স্কুলে এক শিক্ষক, পাঠদান-দাপ্তরিক কাজ সবই করেন ইন্দ্রজিৎ

০২ নভেম্বর ২০২২, ১২:৪২ PM , আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০১:২৭ PM
এক স্কুলে এক শিক্ষক

এক স্কুলে এক শিক্ষক © সংগৃহীত

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গ্রাম ছোট চর কাজল। যেখানে ১২০ শিক্ষার্থীর জন্য একমাত্র শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ শীল । গ্রামের স্কুলটির নাম উত্তর ছোট চর কাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এক স্কুলে এক শিক্ষক, পাঠদান-দাপ্তরিক সব কাজই করেন ইন্দ্রজিৎ। এসব কারণ গুণগত শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। স্কুলটির একমাত্র শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ শীল ঘণ্টা বাজিয়ে শ্রেণিকক্ষে আসেন। সব শ্রেণির শিক্ষার্থীরাই এক কক্ষে বসে। এভাবেই এই স্কুলে পাঠদান চলছে দিনের পর দিন।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়হীন গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই স্কুলটি নির্মাণ করে। দ্বিতল ভবনের স্কুলটি পরিপাটি করে সাজানো। বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। বৈদ্যুতিক পাখা ও আলোর ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করতে পারছে। 

প্রথম শিফটের প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ৪০ শিক্ষার্থীদের ৩ সারিতে বসিয়ে পাঠদান করেন তিনি। দুপুর ১২টায় প্রথম শিফটের ছুটির পর দ্বিতীয় শিফটে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে আবার ক্লাস শুরু করেন ইন্দ্রজিৎ শীল। 

শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ শীল বলেন, গত ১৫ মার্চ ইউনিয়নের উত্তর বড় চর কাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এই স্কুলে যোগ দিই। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল অবসরে যাবো। এই স্কুলে প্রধান শিক্ষকসহ ৪ শিক্ষকের পদ থাকার কথা। কিন্তু, এখনো পদ সৃষ্টি হয়নি।

লেখাপড়া কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিহাদ খলিফা বলে, সবাই এক সঙ্গে বসালে পড়া বুঝতে কষ্ট হয়। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার বলেন, পড়া বুঝতে যেমন কষ্ট হয়, তেমনি লেখাপড়ায়ও আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

আরও পড়ুন: নন-ক্যাডার নীতিমালা সরকারের, কিছু করার নেই—বলছে পিএসসি

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে ওমর ফারুক তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। স্কুলে শিক্ষক ঘাটতি থাকায় ছেলের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। এই এলাকায় আর স্কুল না থাকায় ছেলেমেয়েদের নিয়ে বিপাকে পড়েছি' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এক বছর ধরে শুনছি নতুন শিক্ষক আসবেন। কিন্তু, আসছেন না। ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত।

গলাচিপা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি সরকারী করা হয়। কিন্তু, বিদ্যালয়ের কর্মরত ৪ শিক্ষকে সরকারীকরণ করা হয়নি। সেই থেকে শিক্ষক সংকট চলছে। অন্য বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক এনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় নতুন শিক্ষক নেওয়া হবে। অগ্রাধিকারভিত্তিতে পদসৃষ্টিসহ বিদ্যালয়টিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করবো।

মার্কিন নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরাক ছাড়ার নির্দেশনা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
নিজ বিভাগে ইবি শিক্ষককে হত্যা, নেপথ্যে কী?
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
হামিম ছাড়াও ঢাবির আরও এক নেতাকে অব্যাহতি ছাত্রদলের
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দল থেকে অব্যাহতির পর যা বললেন ছাত্রদলের হামিম
  • ০৪ মার্চ ২০২৬
মিরসরাই ফোরাম ঢাকার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
  • ০৪ মার্চ ২০২৬