নায়েমে অনিয়মের ছড়াছড়ি: গবেষণা বিল থেকে প্রশিক্ষণ বাজেট, বিদ্যুৎ বিলেও গরমিল

০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫০ PM , আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৫ PM
নায়েম

নায়েম © এআই জেনারেটেড ছবি

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) সরকারের শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। অথচ এই প্রতিষ্ঠানেই গবেষণা বিল, প্রশিক্ষণ বাজেট, জার্নাল প্রকাশনা, বিদ্যুৎ বিল ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা ঘিরে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অসম্পূর্ণ গবেষণার বিপরীতে বিল প্রক্রিয়া, কাজ শেষ হওয়ার আগেই চূড়ান্ত বিল দাখিলের চেষ্টা, বাজেট অনুমোদনের আগেই প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু এবং ১৯ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের পর প্রায় ১১ লাখে নেমে আসার ঘটনায় নায়েমের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নায়েমের বিভিন্ন নথি, বিল-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও প্রশাসনিক নোট পর্যালোচনায় এসব অভিযোগের চিত্র উঠে এসেছে।

প্রাপ্ত নথি থেকে জানা গেছে, ১৩টি গবেষণাকর্মের বিপরীতে অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. আতিকুল ইসলাম পাঠান। নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৫ জুন এজি অফিস থেকে ইএফটিএন’র মাধ্যমে গবেষণার দাবিকৃত অর্থ নায়েমের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। গবেষকদের সম্মানী দেওয়ার জন্য ১৩টি ক্রস চেকও প্রস্তুত করা হয়। 

পরে মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো: মেজবাহুল হকের নির্দেশে ১৩টি গবেষণা প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নায়েমের প্রশাসন শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহজাহান। পরবর্তীতে ড. আতিকুল ইসলাম পাঠান ১২টি প্রতিবেদন জমা দেন। নথিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৩ নম্বর গবেষণা প্রতিবেদনটি সংশোধনাধীন এবং পরে জমা দেওয়া হবে।

প্রশ্ন উঠেছে, গবেষণা প্রতিবেদন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট গবেষণার বিপরীতে কীভাবে বিল প্রক্রিয়া করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রচলিত টার্মস অফ রেফারেন্স (টিওর) অনুযায়ী গবেষণা সম্পন্ন না হলে বিল দাখিল ও অর্থ ছাড়ের সুপারিশের সুযোগ থাকার কথা নয়। তবে সেই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিল ছাড়ের সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে।

প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ নম্বর গবেষণার গবেষক হিসেবে ড. আতিকুল ইসলাম পাঠানের নাম রয়েছে। এসব গবেষণার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একই ব্যক্তি গবেষক হিসেবে সম্মানী গ্রহণের পাশাপাশি নিজের গবেষণাকর্ম যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে প্রত্যয়ন বা বিল প্রক্রিয়ায় সুপারিশ করে থাকলে সেখানে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। ফলে পুরো বিয়ষটি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নায়েম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 

জানতে চাইলে ড. মো. আতিকুল ইসলাম পাঠান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘গবেষণাও ১৩টিই ছিল, ওয়ার্ক অর্ডার ছিল ১৩টিই। ১২টি সম্পন্ন করার রিপোর্ট জমা হয়েছিল। ফলে পরবর্তীতে ১২টির বিল জমা দেওয়া হয়। 

সংস্থাটির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো: মেজবাহুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। নথি দেখে পরবর্তীতে মন্তব্য করা যাবে।’

২০৭তম এফটিসি কোর্সের বিলের হিসাবে গরমিল
নায়েমের ২০৭তম এফটিসি কোর্সের অতিথি বক্তার সম্মানী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের ব্যয় বাবদ ১৭ লাখ ৯৩ হাজার ১৯৩ টাকার একটি বিল অনুমোদন ও পরিশোধের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে বিলের সঙ্গে সংযুক্ত সারাংশে নিট ব্যয় দেখানো হয় ২০ লাখ ৩০ হাজার ৫২০ টাকা।

অভিযোগ উঠেছে, সংযুক্ত ভাউচার ও হিসাব বিবরণীর অঙ্ক যোগ করলে ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। ফলে বিলের সারাংশ, ভাউচার ও হিসাব বিবরণীর মধ্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে বিলটির চেক স্বাক্ষর না করে হিসাবের অসঙ্গতি সংশোধন ও পুনঃযাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্টদের বলা হয়।

জার্নাল প্রকাশ না করেই চূড়ান্ত বিল দাখিলের অভিযোগ
নায়েমের গবেষণা ও তথ্যায়ন বিভাগের উদ্যোগে প্রতিবছর একটি জার্নাল প্রকাশ হয়ে থাকে। অভিযোগ উঠেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জার্নাল প্রকাশের কাজ সম্পন্ন না করেই চূড়ান্ত বিল দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের নজরে বিষয়টি এলে বিলটি বাতিল বা আটকে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জার্নাল প্রকাশের কাজের বিপরীতে অনুমোদিত কার্যাদেশ, প্রকাশনার প্রমাণ, সরবরাহ ও চূড়ান্ত বিল পর্যালোচনা করলে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন নায়েমের একাধিক কর্মকর্তা।

১১ লাখের বিদ্যুৎ বিল ১৯ লাখ টাকা
২০২৬ সালের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বড় ধরনের অসংগতি তৈরি হয়েছিল নায়েমে। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে প্রথমে নায়েমের বিদ্যুৎ বিল দেখানো হয় ১৯ লাখ টাকা। এই অর্থ পরিশোধের জন্য বিলও তৈরি করা হয়। তবে বিদ্যুৎ বিলে অসংগতি থাকায় সংস্থাটির অর্থ বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করে। পরে দেখা যায় আগের বিল সমন্বয় না করেই জুন মাসের তৈরি করা হয়েছিল। পরে তা সংশোধন করা হলে সংশোধিত বিল কমে প্রায় ১১ লাখ টাকা হয়। বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে প্রায় ৮ লাখ টাকার এই পার্থক্যের কারণ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন বিল সমন্বয় না করে চেক ছাড়ের জন্য সেটি অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো হলো তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নায়েম কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে নায়েম মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো: মেজবাহুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিলের হিসেব সমন্বয় না করায় ভুলটা হয়েছিল। পরে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সেটি ঠিক করা হয়েছে।

‘বিদ্যুৎ বিলের হিসেব সমন্বয় না করায় ভুলটা হয়েছিল। পরে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সেটি ঠিক করা হয়েছে।’-নায়েম মহাপরিচালক 

বাজেট অনুমোদনের আগেই ‘বার্ডে’ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ডে) ৪০ জনের একটি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হওয়া নিয়েও নায়েমে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রচলিত প্রক্রিয়ায় প্রথমে বিএআরডি থেকে কোর্সের মোট বাজেট ও ব্যয় বিভাজন চাওয়া হয়। এরপর নায়েম তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠায়। মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত বা সুপারিশ নেওয়ার পর অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তবে বাজেট ও ব্যয় বিভাজনের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগেই বিএআরডির ৪০ জনের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাজেট অনুমোদনের পূর্বে প্রশিক্ষণ শুরু করতে বিষয়টি প্রশাসন ও অর্থ শাখাকে অবহিত করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে নায়েমের এক কর্মকর্তা বলেন, নায়েম পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন) প্রফেসর প্রিম রিজভীর দপ্তর থেকে ফাইল-নোট উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে নায়েমের মহাপরিচালকের অনুমোদনের পর বার্ডেতে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কোর্সের বাজেট ও ব্যয় বিভাজনের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে পূর্বানুমোদন নেওয়া হয়নি। বার্ডে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যয় নায়েমে একই ধরনের প্রশিক্ষণের তুলনায় বেশি ধরা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রফেসর প্রিম রিজভী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘নায়েমে যে প্রশিক্ষণ হয়, সেগুলোর আগাম বাজেট প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দিলে বাজেট চূড়ান্ত হয়। আমরা কেবল চিঠি উপস্থাপন করি। বাকি অনুমোদন প্রশাসন শাখা ও ডিজি অফিস দিয়ে থাকে। যিনি তথ্য দিয়েছেন, তিনি ভুল তথ্য উত্থাপন করেছেন।’

কোর্স উপদেষ্টা নিয়োগেও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ
নায়েমে বিভিন্ন স্তরের প্রায় ২৬টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হয়। সাধারণত চারজন পরিচালক পর্যায়ক্রমে এসব কোর্সের কোর্স উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন বলে নায়েমের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কিন্তু জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬—এই তিন মাসের কোর্সগুলোর ক্ষেত্রে পরিচালক (প্রশিক্ষণ) প্রিম রিজভী এবং পরিচালক (গবেষণা ও তথ্যায়ন) ড. আতিকুল ইসলাম পাঠানকে একাধিক কোর্সের কোর্স উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এর আওতাধীন কোর্সগুলো স্থগিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পরপর ২০৭তম ও ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের কোর্স উপদেষ্টার দায়িত্ব একই পরিচালকের হাতে দেওয়ার বিষয়টিও নায়েমের প্রচলিত নীতিমালা ও আগের দায়িত্ব বণ্টনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০২১ সালের অভিযোগও আলোচনায়
ড. আতিকুল ইসলাম পাঠানের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে প্রবেশ এবং নিজেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পরিচয় দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তৎকালীন যুগ্মসচিব ও সদস্য (প্রশাসন) ড. মো. আবুল কালাম আজাদের স্বাক্ষরিত ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আতিকুল ইসলাম নিজেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পরিচয় দিয়ে বোর্ডে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি একজন ব্যক্তির চাকরির বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করেন এবং কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে জানা যায় তিনি নায়েমের পরিচালক, যুগ্মসচিব নন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

তবে ওই অভিযোগের পর শেষ পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, কোনো বিভাগীয় মামলা হয়েছিল কি না এবং তার নিষ্পত্তি কীভাবে হয়েছে সেটি জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. আতিকুল ইসলাম পাঠান বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের লোক ছিল যুগ্মসচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি শেখ হাসিনাকে মা ডেকেছিল, সে খুব ভয়ংকর ছিল, প্রশাসন ক্যাডারের দুর্ধষ লোক ছিল। শত্রুতা করে আমাকে হ্যারেস করার জন্য এই কাজটি করা হয়েছে। আমি আর্মির এনডিসি কোর্স করতে আবেদন করেছিলাম। সেটি করতে যুগ্মসচিব পদ মর্যাদার হতে হয়। আমি তৃতীয় গ্রেডে বেতন পাই, অর্থাৎ যুগ্মসচিব পদমর্যাদার হওয়ায় কোর্সটি করেছিলাম। এই বিষয়টিকেই এত বড় করা হয়েছে। কোনো তদবির করতে সেখানেই যাইনি।

শেখ হাসিনার অনুশাসনে হতে চেয়েছিলেন ডিজি
ড. আতিকুল ইসলাম পাঠানের পদোন্নতি ও তৃতীয় গ্রেড পাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের মাধ্যমে তিনি পরিচালক পদে পদোন্নতি ও তৃতীয় গ্রেডের সুবিধা পান। তার নিজের লিখিত আবেদনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে পরিচালক পদে তৃতীয় গ্রেড পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নায়েমের মহাপরিচালক পদে পদায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে বলে তিনি তার আবেদনে উল্লেখ করেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে ড. আতিকুল বলেন, ‘তৃতীয় গ্রেড সম্পূর্ণ আইনের বিষয়। ২০০৫ সালের আইন অনুযায়ী এই গ্রেড আমাকে দেওয়া হয়েছিল। এখানে সুপারিশের কিছু নেই। আর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা লিখে থাকলে আমি ভুল লিখেছিলাম।’

নায়েমের সার্বিক অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো: মেজবাহুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিলের হিসেব সমন্বয় না করায় ভুলটা হয়েছিল। পরে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সেটি ঠিক করা হয়েছে। এছাড়া এফটিসি বিলে গড়মিলসহ অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। বিষয়গুলো দেখতে হবে।’

একজনও পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার দ্বিগুণেরও …
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
কলেজ-মাদ্রাসায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন শূন্য থাকবে
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
কোন বোর্ডে পাসের হার কত, দেখুন এখানে
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এসএসসিতে বিদেশি কেন্দ্রে পাসের হার ৮৮.০৬ শতাংশ
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
পাসের হারে এগিয়ে ঢাকা, পিছিয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, ফল দেখুন এখানে
  • ১০ আগস্ট ২০২৬