মিলন বললেন— দেশ চালায় আমলারা, নুর বললেন— বাস্তবতা!

১৭ মে ২০২৬, ০৫:০২ PM , আপডেট: ১৭ মে ২০২৬, ০৫:২০ PM
নুরুল হক নুর ও মাহবুব কবীর মিলন

নুরুল হক নুর ও মাহবুব কবীর মিলন © টিডিসি ফটো

‘দেশ চালায় আমলারা। এটা অসীমকাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। কারো ক্ষমতা নেই তা রোধ করার। দেশের উন্নতির জন্য কিছু করতে চাইলে, তা অনেকাংশে পারবে আমলারাই। যেহেতু তারা ক্ষমতার সাথে থাকে। কাজেই দেশের ক্ষতির জন্যও দায়ী আমলারাই। পদ, পদোন্নতি, এক্সটেনশন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের লোভে আমলাদের দলদাস বা মেরুদণ্ড হারাতেই হবে। এটা ইউনিভার্সাল ট্রুথ। কারণ মেধা আর সততার কোনো দাম নেই এ দেশে।’

গত ১৫ মে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন। এদিকে রবিবার (১৭ মে) দুপুর আড়াইটায় সেই পোস্টটি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে শেয়ার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর লেখেন, ‘বাস্তবতা’। 

তবে নুরুল হক নুরের সেই পোস্টে মানুষের মিস্ত্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকে নুরুল হক নুরের করা ‘বাস্তবতা’ মন্তব্যকে মেনে নিলেও অনেকেই আবার এর জন্য দুষছেন জনপ্রতিনিধিদেরই। 

সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন তার পোস্টে আরো বলেন, ‘আমি পুরোদস্তুর বা কেতাদুরস্ত আমলা কখনোই হতে পারিনি বা ছিলাম না। আমার জেলা প্রশাসক বন্ধুদের বলতাম, জনগণের কাছে যাওয়ার সময় স্যুট-কোট (শীতকাল ছাড়া) পরে কেন যাস তোরা? জামাকাপড়ে কেন এত পার্থক্য থাকবে? যাতে বুঝা যায় তুমি একজন জেলা প্রশাসক, আর ওরা সবাই মফিজ বা আমজনতা। মিলে যাও এক সাথে। তারমানে এই নয় যে, তুমি লুঙ্গি পরে যাবা।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলা প্রশাসক হবার ফিট লিস্টে যাতে নাম না ওঠে, তার সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিলাম আমি। এর প্রধান কারণ ছিল এলআর ফান্ড। (স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বেসরকারি ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন মেলা, সার্কাস বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান ও চাঁদা সংগ্রহের মাধ্যমে এই তহবিল গঠিত হয়। এছাড়া জেলা প্রশাসনের আওতাধীন কিছু সেবা (যেমন : বিভিন্ন লাইসেন্স বা পারমিট নবায়ন, ভূমিসংক্রান্ত সেবা ইত্যাদি) থেকেও এই ফান্ডের অর্থ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে) আমার বন্ধু মুনির চৌধুরীও তাই করেছিল। আরও অনেকে হয়নি অন্যান্য অনেক কারণে।’

সাবেক এই সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি বেইলি রোড অফিসার্স ক্লাবের মেম্বার কখনোই হইনি। চাকরি জীবনে একটি বিয়ের দাওয়াত ছাড়া আর কখনো যাইনি। প্রশাসন ক্যাডারের একজন গর্বিত সদস্য হওয়ার পরও অ্যাসোসিয়েশনের মিটিংয়ে একবারের জন্যও যাইনি। খারাপ কিছুর জন্য নয়। আমি একেবারেই নিভৃতচারী, ছাত্র জীবনেও তাই ছিলাম। কোনো আড্ডা, কোনো সংগঠন, কোনো রাজনীতির সাথে কখনো জড়িত ছিলাম না।’

তিনি বলেন, ‘পারি আর না পারি, চাকরি জীবনে মানুষের কল্যাণের জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা করে গিয়েছি। সেটাই ছিল আমার একমাত্র সাধনা। কখনো কম্প্রোমাইজ করিনি। আবার কখনো চুপও ছিলাম না। জনগণের ক্ষতি হয়, এমন তথ্য জীবনে ধামাচাপা দেইনি। ঊর্ধ্বতন, নিম্নতম, মন্ত্রী, নেতা, ক্যাডার, মাস্তান, চাঁদাবাজ, কেউ আমার মাথা কিনতে পারেনি বা সাহস পায়নি।’

ভাষা, গণিত, সিটি এডুকেশন—যেমন হচ্ছে প্রাথমিকের নতুন শিক্ষা …
  • ১৭ মে ২০২৬
ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল বাজেট 
  • ১৭ মে ২০২৬
শেষ বিকেলে হতাশার পরও সিলেটে বাংলাদেশময় একদিন
  • ১৭ মে ২০২৬
স্কয়ার ফুড নিয়োগ দেবে সেলস অফিসার, আবেদন এইচএসসি পাসেই
  • ১৭ মে ২০২৬
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালকের আয়কর নথি জব্দে…
  • ১৭ মে ২০২৬
বছর না পেরোতেই এনসিপি থেকে পদত্যাগ সাবেক ছাত্রদল নেতা সর্দা…
  • ১৭ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081