রাশেদ খাঁন © ফাইল ছবি
শুনেছিলাম গত অধিবেশন জামায়াতের এমপিদের খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য এবারের অধিবেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে! তারা ইসলামি ব্যাংকের ওপর ব্যাপক প্রশিক্ষণ নিয়ে সংসদে যায়। কিন্তু প্রশ্ন এতো কঠিন হবে কে জানতো? প্রশিক্ষণ নিয়ে বলতে গেলে তো কোর্সের বাইরে বলা যায় না।
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ কোর্সের বাইরে গিয়ে বলা শুরু করলেন। এতে জামায়াতের এমপিরা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন আর ভাবতে থাকলেন, ধুর রাতদিনের প্রশিক্ষণই তো বৃথা! জামায়াতে এমপিদের উচিত জনাব সালাউদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নেওয়া। এতে সংসদে কিছুটা হলেও ভাল পারফর্ম করতে পারবেন।
অন্যথায় এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জামায়াতে ৬৮ জন এমপি যেভাবে ধরা খাচ্ছেন, সত্যিই আমারও লজ্জা লাগছে। আমরা আগে জানতাম, জামায়াতের লোক শিক্ষিত বেশি, তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ বেশি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে জামায়াতের গুরু দুর্বল।
মানে জামায়াতে মনোযোগী ছাত্র থাকলেও, দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব। সেই জায়গায় জামায়াতের এমপিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজনৈতিক ক্লাস করতে পারেন। শেখার কোনো শেষ নাই, শিখতে কোনো লজ্জা নাই। বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতে ভালো করুক, আমরা এটাই চাই। আমরা সংসদীয় শক্তিশালী বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতকে দেখতে চাই, দুর্বল মনে হলেই মানুষ আওয়ামী শূন্যতা ফিল করা শুরু করবে।
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঝিনাইদহ-৪ সংসদ সদস্যপ্রার্থী রাশেদ খাঁনের টাইমলাইন থেকে।