আমার ফিরে আসা এবং ঢাবিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি শিক্ষার্থীদের ওপর একটা বাজি, আমি আত্মবিশ্বাসী

৩১ মে ২০২৬, ০৫:৪৮ PM , আপডেট: ৩১ মে ২০২৬, ০৭:২৭ PM
অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ’র টাইমলাইন থেকে 

অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ’র টাইমলাইন থেকে  © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কি একটি ‘কোচিং সেন্টার', একটি ‘ডুবন্ত জাহাজ’, নাকি উভয়ই? নতুন ঢাবি ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে আমার ২য় মাসে এসে এটি বিচার করতে হবে তা কখনো ভাবিনি। কিন্তু মাঝে মাঝে, দূরত্ব সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।

আমি দুই দশক আগে ঢাবি ছেড়েছিলাম এবং সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার নবায়ন প্রকল্পের অংশ হতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করে অর্থনীতির প্রফেসর হিসেবে ফিরে এসেছি, কোনো রাজনৈতিক কলহে যোগ দিতে নয়।

বাহির থেকে ভেতরে দেখে এবং এখন ভেতর থেকে বাইরে দেখে আমি বুঝতে পারছি যে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার অবস্থা নিয়ে বর্তমানে যেই বিতর্কটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

প্রাতিষ্ঠানিক র‍্যাংকিং, কাঠামোগত অব্যবস্থাপনা এবং ‘পর্যাপ্ত অর্থায়ন’ নিয়ে শোরগোলের মধ্যে সবাই ঢাবির আসল পুঁজিকে উপেক্ষা করছে : তা হলো প্রাকৃতিক প্রতিভার একটি বিশাল, অতুলনীয় ভাণ্ডার।

আমরা দেশের হাজার হাজার উজ্জ্বলতম মস্তিষ্কের কথা বলছি, যা কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বহন করা একেবারেই অসম্ভব। একজন প্রতিষ্ঠিত গবেষকের কাছে এই সুপ্ত মানব পুঁজি কোনো ঘাটতি নয়, এটিই চূড়ান্ত সম্পদ। আর এটাই আমাকে ঢাবিতে ফিরে আসার পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।

UGC-এর কাঠামোগত সংস্কার বা নিখুঁত বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার জন্য অপেক্ষা করার পাশাপাশি আমি নিশ্চিত যে, ঢাবি এই সমস্ত শোরগোলকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাবে। এই ‘ঘুমন্ত দানব’কে জাগিয়ে তোলার জন্য কেবল সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন। ‘ডুবন্ত জাহাজ’ আবার চলতে পারে এবং চলবে।

তবে এর জন্য একটি চিরচেনা সমষ্টিগত ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠা প্রয়োজন। আমরা রাষ্ট্র বা প্রশাসনের দিকে আঙুল তোলার ঊর্ধ্বে উঠে কাজ শুরু করতে পারি। বিজ্ঞান বহির্ভূত অনুষদের অধ্যাপক হিসেবে আমরা আমাদের ব্যক্তিগত সক্ষমতায় আরও অনেক কিছু করতে পারি।

সোশ্যাল সায়েন্সেস এবং বিজনেস স্টাডিজে ব্যয়বহুল ল্যাবরেটরি অবকাঠামোর চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক কঠোরতা দ্বারা গবেষণা বেশি পরিচালিত হয়, সেখানে আমরা উদাহরণ তৈরি করে নেতৃত্ব দিতে পারি। আমরা আমাদের বিভাগগুলোর মধ্যেই শ্রেষ্ঠত্বের স্থানীয় ইকোসিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করতে পারি এবং আমাদের শিক্ষার্থীদের দেখাতে পারি যে, বৈশ্বিক মানের গবেষণা আসলে কেমন হয়।

বিজ্ঞান বহির্ভূত বিষয়ে আমাদের গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের জন্য ন্যারেটিভ বা ধারা পরিবর্তন শুরু করতে বিশাল বাজেটের অপেক্ষায় থাকা উচিত নয়, আমাদের ক্লাসরুমে ইতোমধ্যে বসে থাকা (শিক্ষার্থীদের) কাঁচা মাথাগুলোকে শুধু উজ্জীবিত করা দরকার।

আমার ফিরে আসার এবং ঢাবিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর একটা বাজি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা জয়ী হব। আসুন সমস্যা নিয়ে পড়ে না থেকে, আমরা আমাদের নিজেদের ভূমিকা পালন করা শুরু করি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ’র টাইমলাইন থেকে 

প্রাথমিকে নতুন করে জাতীয়করণ, যা বললেন ববি হাজ্জাজ
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এবার কৃষি গুচ্ছের নেতৃত্বে শেকৃবি, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষ…
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তি তিন বিষয়ের ওপর
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মামলার তদন্তে আড়াই বছর পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জোন ইনচার্জ নিয়োগ দেবে বম্বে সুইটস, আবেদন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9