এই মানুষগুলো গ্র্যাজুয়েট পাস, সারাদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে শুধু পেটের তাগিদে

০৬ মে ২০২৬, ১১:০৪ AM , আপডেট: ০৬ মে ২০২৬, ১১:০৬ AM
মেডিকেল প্রমোশন অফিসার (এআই ছবি) এবং ডা. সাকলাইন রাসেল (ইনসেটে)

মেডিকেল প্রমোশন অফিসার (এআই ছবি) এবং ডা. সাকলাইন রাসেল (ইনসেটে) © টিডিসি সম্পাদিত

কখনো কি ভেবেছেন? আপনি বলতে পারেন... আপনারা নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ডাক্তারের চেম্বারে ভিড় করবেন না। রোগীদের বিরক্ত করবেন না। প্রেসক্রিপশন নিয়ে টানাটানি করবেন না বা দিতে পারেন অন্য কোন পরামর্শ। কিন্তু একজন মেডিকেলে রিপ্রেজেনটেটিভ (বর্তমানে পদবি মেডিকেল প্রমোশন অফিসার) সরাসরি দালাল সাব্যস্ত করে, হাত বেধে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া, মিডিয়া ট্রায়ালে অপদস্ত করা, সামাজিকভাবে হেয় করা।

খুবই অন্যায় কাজ, খুব ন্যাক্কারজনক কাজ। এই মানুষগুলো সবাই মিনিমাম গ্র্যাজুয়েট পাস করা। সারাদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে শুধুমাত্র পেটের তাগিদে। একদিন তাদের পরিবারের কাছে গেলেই বুঝবেন, পরিপাটি পোশাকের আড়ালে কতটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের। কখনো কি ভেবেছেন, তারাও রোগী সেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ!

তাঁরা ঔষধ সম্পর্কিত সবশেষ আপডেট তথ্য চিকিৎসকদের প্রদান করে থাকেন। নতুন ওষুধ, গবেষণা এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে ডাক্তারদের নিয়মিত আপডেট দেন। ওষুধের ডোজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ব্যবহারবিধি—এসব বিষয়ে তারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন, যা রোগীর নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক সময় তারা ক্যাম্পেইন, সেমিনার বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করেন। বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছাতে ফিল্ড লেভেল কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প গ্রহণে আগ্রহী ইউনেস্কো

বাংলাদেশ বিশ্বে বৃহত্তর ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ। এ অর্জনের পিছনে বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবদান একেবারে কম নয়। এভাবেই তারা শুধু চিকিৎসককে সাহায্য করে না, মূল উপকার করে রোগীদেরই। এমনকি চিকিৎসকদের অনুরোধে অনেক সময় দরিদ্র রোগীদের সরাসরি কোম্পানি রেটে ওষুধ সরবরাহ করে।

আমি কোন ওষুধ কোম্পানির কাছে দায়বদ্ধ না। কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্ক কারো সাথে নেই। আমার নিজের ও পরিবারের ওষুধ নিজে কিনে খাই। এমনকি আমি ওষুধ স্যাম্পলিং নিরুৎসাহিত করি। বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা হলো।

লেখক: অধ্যাপক, ভাসকুলার সার্জারী, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং
গণমাধ্যমকর্মী ও ট্রায়াথলেট।

(ফেসবুক থেকে নেওয়া)

এনএসইউতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান বৈশ্বিক ব্যবস্থা: স…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
২১ ঘণ্টা পর ছাড়া পেল সেই মাহদীসহ তিনজন
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রবাসী প্রেমিককে ‘গোপন ছবি’ পাঠানো সেই ছাত্রী হল থেকে স্থা…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
নোবিপ্রবিতে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনায় ৩ সদস্যের ত…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরা হলো না জিসানের, টমটমের ধাক্কায় গেল প্র…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬