মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১ম হয়েছিলেন ডাক্তার কামরু‌ল

৩১ অক্টোবর ২০২১, ০৫:০৫ PM
ডাক্তার কামরুল ইসলাম

ডাক্তার কামরুল ইসলাম © সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে এক হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা কিডনিবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কামরুল ইসলাম। দেশে এ পর্যন্ত যত কিডনি প্রতিস্থাপিত হয়েছে, এর এক-তৃতীয়াংশ তাঁর হাত দিয়ে হয়েছে।

শ্যামলীর সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালটি যাত্রা শুরু করে ২০০৭ সালে। তখন থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন শুরু। প্রতিস্থাপন শল্যবিদ বা ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন কামরুল ইসলাম গত ১৯ অক্টোবর এক হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ​বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে চারটি করে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে তার হাসপাতালটিতে।

পারিবারিক তথ্যে জানা গেছে, স্বামীহারা এসএসসি পাস করা মা রহিমা খাতুন তার চার ছেলেকে মানুষ করার জন্য ও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য আবার পড়াশুনা শুরু করেন। এইচএসসি পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সমাজবিজ্ঞানে ১ম স্থান অধিকার করে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮১ সালে রহিমা খাতুন ঢাকার লালমাটিয়া মহিলা কলেজে যোগদান করেন। মেজো ছেলে কামরুল ইসলাম ঈশ্বরদী উপজেলার চন্দ্র প্রভা বিদ্যাপীঠ পাকশী থেকে ১৯৮০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৩তম স্থান অর্জন করেন। ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। সেখানেও দশম স্থান অধিকার করেন।

পরে ১৯৮২ সালে তখনকার ৮টি মেডিকেল কলেজের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেলে অধ্যায়ন শুরু করেন। ঢাকা মেডিকেল থেকে ১৯৮৯ সালে পাস করে ইন্টার্নশিপ শেষ করেন ১৯৯০। পরবর্তীতে একাদশ বিসিএসে ১৯৯৩ সালের ১ এপ্রিল স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন।

পরবর্তীতে তিনি ইউরোলজিতে ৫ বছর মেয়াদি এমএস প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেন এবং জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৭ সালে সফলভাবে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট শুরু করেন। তিনি ২০১১ সালে সরকারি চাকরি ইস্তফা দিয়ে শ্যামলীতে নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন কিডনি হাসপাতাল।

চিকিৎসক অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৪টি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। কিডনি প্রতিস্থাপন করা সব রোগীর ফলোআপ পরীক্ষা করা হচ্ছে বিনামূল্যে। প্রতি মাসে এখানে অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী আসেন ফলোআপ পরীক্ষার জন্য। তাদের সবার ফলোআপ বিনামূল্যে করানো হয়।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বড় সাফল্য অর্জন করেও দেশের বাইরে যাননি ডাক্তার কামরুল। তিনি বলেন, মেডিকেলে পরীক্ষায় প্রথম হয়েও আমার বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছে হয়নি। অথচ আমার অনেক সহপাঠী বাইরে অবস্থান করছে। মূলত আমার বাবার জন্যই বাইরে যেতে ইচ্ছে করে নাই। এছাড়াও বাইরে না যাওয়ার ক্ষেত্রে মা একটি বড় বিষয়।

জেলা পরিষদে যাদের প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, সবাই দলীয়ভাবে মন…
  • ১৫ জুন ২০২৬
এমপি মানসুরার তত্ত্বাবধানে জাতীয় সংসদ পরিদর্শনে ঢাবির একদল …
  • ১৫ জুন ২০২৬
রেডিওলজিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্…
  • ১৫ জুন ২০২৬
ঝালকাঠিতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৫ জুন ২০২৬
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়ল মাদ্রাসা…
  • ১৫ জুন ২০২৬
হিজাব নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে চবিতে ছাত্রীসংস্থার মানববন্ধন
  • ১৫ জুন ২০২৬
×