ত্রুটি নিয়ে জন্মায় দেশের ৭.০২ শতাংশ শিশু: গবেষণা

০৩ এপ্রিল ২০২৩, ১২:৪৯ AM , আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৭ AM
ত্রুটি নিয়ে জন্মায় দেশের ৭.০২ শতাংশ শিশু

ত্রুটি নিয়ে জন্মায় দেশের ৭.০২ শতাংশ শিশু © ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নবজাতক বিভাগে ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে আসা ১১ হাজার ২৩২ জন নবজাতকের ওপর এক গবেষণা করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, দেশে প্রতি বছর শতকরা ৭.০২ ভাগ শিশু নানা শারীরিক ত্রুটি নিয়ে ভূমিষ্ঠ হচ্ছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

রোববার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘বিশ্ব জন্মগত ত্রুটি দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনার ও আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৮ বছরে বিএসএমএমইউয়ের নবজাতক বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের মধ্যে নানা শারীরিক ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে ৭৮৯টি শিশু। এ সংখ্যা মোট শিশুর ৭.০২ শতাংশ, যা উন্নত বিশ্বের জন্মগত ত্রুটির হারের চেয়ে বেশি।

সেমিনারে জানানো হয়, পৃথিবীব্যাপী জন্মগত ত্রুটির হার প্রতি ১০০ জনে ৩ থেকে ৬ জন (৩-৬ শতাংশ)। বিশ্বে প্রতি ৩৩ জন শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায়। সারাবিশ্বের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জন্মগত ত্রুটির প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

আরও পড়ুন: টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পেলো ২৩০ শিশু-কিশোর

প্রতি বছর শুধুমাত্র জন্মগত ত্রুটির জন্য জন্মের ২৮ দিনের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ শিশু মারা যায়। শিশুমৃত্যুর এ প্রভাব সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনেকাংশে বিরূপ প্রভাব ফেলে। আলোচনা সভায় জন্মগত ত্রুটির হার নির্ণয়, ত্রুটির কারণ, প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনার ওপর আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ নবজাতকদের জন্মগ্রত ত্রুটি প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন উন্নত চিকিৎসাসেবা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে একের পর এক নিত্যনতুন ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে যাচ্ছে। জেনেটিক ল্যাবও প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে, জন্মগত ত্রুটির ক্ষেত্রে ট্রান্সজেন্ডারের বিষয়ে করণীয় কী হতে পারে তা-ও বিবেচনায় রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রোগীদের সুবিধার্থে ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গরূপে ডাবল শিফটে ওটি (অস্ত্রোপচার বা সার্জারি) কার্যক্রম চালু করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় অ্যানেসথেশিওলজিস্ট নিশ্চিত করা হবে। যাতে করে অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার অভাবে ওটি কার্যক্রম সেবা ব্যহত না হয়।

যেসব অভিযোগে ভেঙে দেওয়া হলো বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা প…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পরিচয় দিলে আরও বেশি মারধর করেন ছা…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
হঠাৎ মাউশি-একটি কলেজসহ ২ অধিদপ্তর পরিদর্শনে শিক্ষা সচিব
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ডেভিড ওয়ার্নার গ্রেপ্তার
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিল জাতীয় বিশ্ববি…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
একনজরে বিসিবির অ্যাডহক কমিটি: কার কী পরিচয়?
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
close