শিক্ষা মন্ত্রণালয় © টিডিসি সম্পাদিত
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) কর্মরত শিক্ষকদের বয়স সংশোধনের সুযোগ রেখে একটি নীতিমালা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে কর্মকর্তারা বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষকদের বয়স সংশোধনের জন্য একটি নীতিমালা করা হয়েছে। অনুমোদনের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে তা জমা রয়েছে। অনুমোদনের পর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। বয়স সংশোধন হলেও আর্থিক কোনো সুবিধা পাবেন না মাদ্রাসা শিক্ষকরা।’
জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বদলি নীতিমালা করেছে সরকার। এতে শিক্ষকদের নিজ এলাকায় বদলির পথ সুগম হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ও সফটওয়্যার লাইভ হওয়ায় বদলির অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। তবে এক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষকরা উপেক্ষিত ছিলেন। অবশেষে তাদের বদলি নীতিমালাও ফাইনাল হয়ে শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পাশাপাশি বয়স সংশোধনের নীতিমালাটিও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বয়স সংশোধনের জন্য মাদ্রাসার শিক্ষকদের ম্যানুয়ালি আবেদন করতে হয়। সর্বশেষ চলতি মাসেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সেখানেও ম্যানুয়ালি আবেদন করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে ‘বয়স সংশোধন’ নীতিমালা অনুমোদন হলে এ পদ্ধতি নাও থাকতে পারে। তবে আর্থিকভাবে কোনো সুবিধা পাবেন না শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন : মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির ফাইল শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে
শিক্ষামন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষকদের বয়স সংশোধনের সুযোগ রেখে একটি নীতিমালা করা হয়েছে। এটা শিক্ষকদের জন্য সুখবর বলতে পারেন। কারণ স্পষ্টত শিক্ষকদের আর্থিকদের সুযোগ না থাকলেও অনেক প্রসেসের মাধ্যমে তা থাকছে। তবে তা আপেক্ষিক বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ শিক্ষকদের বয়স সংশোধন ফাইল শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে, তিনি সই করার পর চিঠি ইস্যু, নির্দেশনাসহ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’
উল্লেখ্য, দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ৮ হাজার ২২৯টি। এরমধ্যে দাখিল-আলিম-ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের মাদ্রাসা যথাক্রমে ৫ হাজার ৭৬৭; ১ হাজার ২৮৫টি; ফাযিল ৯৯৩টি ও ১৮৪টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।