স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন কাঠামো নীতিমালা জারি

২০ নভেম্বর ২০১৮, ০৫:৫০ PM

© লোগো

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ। এরই মধ্য দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের সমমান পেল ইবতেদায়ি শিক্ষকরা।  গত ১৮ নভেম্বর স্বাক্ষরিত নীতিমালাটি আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়। 

নীতিমালা অনুযায়ী, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসায় চারজন শিক্ষক থাকবেন। এদের মধ্যে একজন ইবতেদায়ি প্রধান, দুইজন ইবতেদায়ি সহকারী শিক্ষক এবং ইবতেদায়ি ক্বারী শিক্ষক একজন।  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতো ইবতেদায়ি প্রধান ১১তম গ্রেডে বেতন পাবেন।  সেই হিসেবে ইবতেদায়ি শিক্ষকরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমান মর্যাদা পাচ্ছেন।

বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন শুরু ১৪তম গ্রেডে। এটি আরও বাড়ানোর জন্য দাবি জানাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তবে সমমান বা মর্যাদার কথা বলা হলেও বেতন কাঠামোতে প্রাথমিক শিক্ষকদের সমান বেতন বিবেচনা করা হয়নি ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য করা নীতিমালায়।  নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, ইবতেদায়ির সহকারী এবং ক্বারী শিক্ষকরা বেতন পাবেন ১৬তম গ্রেডে। তবে সরকারি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম বিএ পাসকে বিবেচনা করে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও আলিম পাস এবং ক্বারী শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে আলীম বা এসএসসি সমমান (বিজ্ঞান) করা হয়েছে।

এছাড়া, ইবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন কাঠামোর আওতায় নেওয়া হলেও সরকারি অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কথা বলা নেই নীতিমালায়। শুধু বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের আদলেই তারা সরকারি বেতন-ভাতা গ্রেড অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন। বর্তমানে ইবতেদায়ি প্রধান শিক্ষকরা দুই হাজার ৫০০ টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা দুই হাজার ৩০০ টাকা সরকারি অনুদান পাচ্ছেন।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ইবতেদায়ি শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকরা নিয়োগ পাবেন। প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে ফাজিল পাস বা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমমান ডিগ্রি। সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে আলিম পাস। সহকারী ক্বারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে আলিম (বিজ্ঞান) অথবা এইচএসসি (বিজ্ঞান)। শিক্ষক নিয়োগে প্রবেশ বয়স হতে হবে ৩৫ বছর। তবে ইনডেক্সধারী হলে বয়স শিথিলযোগ্য।
ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনায় থাকবে ম্যানেজিং কমিটি বা অর্গানাইজিং কমিটি। স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসার অনুমোদন নিতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পাঠদানের অনুমতি ও একাডেমিক স্বীকৃতি দেবে। শর্তপূরণ করে দুই বছর শেষে আবেদন করা যাবে। পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার চার বছরের মধ্যে একাডেমিক স্বীকৃতি না পেলে পাঠদানের অনুমোদন বাতিল হয়ে যাবে। একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর শিক্ষকরা বেতন-ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

 

 

নারী কণ্ঠে প্রতারণা করে ৭৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন, বাজেয়াপ্ত…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মাদ্রাসা প্রধানের পদ শূন্য প্রায় তিন হাজার
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ইসির তালিকায় কোন অঞ্চলে কত জন প্রার্থী, দেখুন এখানে
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মূখ্য সমন্বয়কারী তারিকুল ই…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের দিন কি দুটি ব্যালটেই সিল দিতে হবে?
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মনোনয়ন বৈধ করতে নতুন উদ্যোগ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬