মাদ্রাসার ১১ অধ্যক্ষ-প্রভাষকের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও জালিয়াতির অভিযোগ

০৬ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৪১ PM , আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:২১ AM
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © লোগো

তথ্য গোপন ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি এবং আর্থিক সুবিধা দিয়ে সহয়তা করায় ১১টি প্রতিষ্ঠানের প্রভাষক ও অধ্যক্ষকে কারণ দর্শাতে বলেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

আজ রবিবার (৬ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আলাদা আলাদা নোটিশে এসব মাদ্রাসা শিক্ষককে আগামী ৭ কর্মদিসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে।

কারণ দর্শানো নেটিশগুলোতে বলা হয়েছে, তথ্য গোপন ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিধি বহির্ভূতভাবে পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণে সহায়তা করেছেন, যা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী আর্থিক বিধি লঙ্ঘন।

এমাতাবস্থায় কেনও ১১ অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে না, তা আগামী সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।

রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে তোপের মুখে ট্রাম্প
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইউএইচএফপিও সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী: বর্তমান সরকার ‘সুস্বাস্থ…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
লোকজ ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ছোঁয়ায় এনইউবিতে বৈশাখ উৎসব উদযাপন
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ: নয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ১৮ যুগ্মসচিব-উ…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ ৬০ উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্র…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল কৃষকের
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬