জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল

রেডিওথেরাপির সিরিয়াল সাড়ে ৭ হাজার, অনেকের চিকিৎসা মিলবে ২০২৮ সালে

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ PM , আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ AM
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল © প্রতীকী ও সম্পাদিত ছবি

রোগীর ভারে ন্যুব্জ দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র মহাখালীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। সারাদেশের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের উপচে পড়া ভীড় এবং দীর্ঘ অপেক্ষমাণ তালিকার কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। সচল মাত্র দুটি রেডিওথেরাপি যন্ত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড উপেক্ষা করে সেবা দেওয়া হচ্ছে তিন থেকে চারগুণ রোগীকে। এরপরও অপেক্ষমাণ তারিখ পৌঁছেছে ২০২৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে। অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ক্যান্সার রোগী। উপায়ান্তর না পেয়ে সাময়িকভাবে নতুন রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতালটি।

তথ্য বলছে, বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতালটি ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। চার বছর পর এটিকে ঢাকার মহাখালীর বর্তমান নিজস্ব স্থানে স্থানান্তরিত হয় এবং একটি ক্যান্সার সনাক্তকরণ ইউনিট হিসেবে কাজ শুরু করে। পরে ১৯৯১ সালে ৫০ শয্যার ইনডোর সুবিধা চালু এবং ২০১৫ সালে হাসপাতালটিকে ৩০০ শয্যায় ও পরবর্তীতে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতি বছর আনুমানিক ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে ২ লাখ নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হয়, যার মধ্যে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার রোগী এককভাবে এই ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে, যা মোট শনাক্ত রোগীর প্রায় ২০% বা এক-পঞ্চমাংশ।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে সরকারি পিআইসিইউ মাত্র ৪৩, হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে ঝরছে শিশুর প্রাণ

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, হাসপাতালটিতে বিনামূল্যে ক্যান্সারের ওষুধ সরবরাহ করায় রোগীর চাপ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তবে জটিল ক্যান্সার সার্জারিতে ন্যূনতম ২-৩ ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৬-৭ ঘণ্টা লাগে। হাসপাতালে মাত্র ৮ থেকে ৯টি অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু থাকায় দৈনিক ১৫ থেকে ২০টির বেশি অপারেশন করা সম্ভব হয় না। ফলে অপারেশনের জন্য দীর্ঘ সিরিয়াল তৈরি হচ্ছে।

আমাদের ডেট পড়ে গেছে ২০২৮ সালে! ২০২৮ সালের ডেট পাওয়া মানে রোগীরা মনে করতো যে ২৮ সাল পর্যন্ত অন্তত অপেক্ষা করা যায়। এমনিও তো ২৮ সালের ডেট দেওয়া না দেওয়ার কোনো মানে নাই। তার থেকে তাকে বুঝিয়ে বলা ভালো যে তার অল্টারনেটিভ চিকিৎসা থাকলে সে করুক। ২৮ সাল পর্যন্ত তারিখ দিয়ে রোগীর মরে যাওয়ার দায়িত্ব নেওয়ার দরকার কি? এজন্য আমরা এখন ডেট বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা লিখে দিচ্ছি যে কোনো রেডিয়েশনের সুযোগ নেই অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, পরিচালক, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

এ ছাড়া আগত রোগীদের বড় একটি অংশেরই রেডিওথেরাপি প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যত ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হয়, তার দুই-তৃতীয়াংশেরই কোনো না কোনো পদ্ধতিতে রেডিয়েশন বা রেডিওথেরাপির প্রয়োজন হয়।

এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে রেডিওথেরাপি মেশিন বসানোর জন্য বাঙ্কার রয়েছে মাত্র ৭টি। এর মধ্যে ৫টি লিনাক (লিনিয়ার অ্যাক্সিলেরেটর) এবং দুটি কোবাল্ট-৬০। তবে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৬টি মেশিন ছিল এতে। একটি কোবাল্টের বাংকার সব সময় খালি পড়ে ছিল। অবশ্য ২০২৪ সাল নাগাদ ৬টি মেশিনই পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে। এর ফলে প্রায় দেড় মাস রেডিওথেরাপি সেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দুটি  নতুন মেশিন সচল করা হয়। এখন পর্যন্ত এই দুটি যন্ত্রেই চলছে রেডিওথেরাপি সেবা।

রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ

সাধারণ, একটি সাধারণ রেডিওথেরাপি সেশনে রোগীকে মেশিনে পজিশন করা এবং রেডিয়েশন দেওয়া মিলিয়ে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় ব্যয় হয়। এ হিসাবে একটি শিফটে সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তাছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি লিনাক মেশিনে সাধারণত দৈনিক ২৫ থেকে ৪০ জন রোগীকে মানসম্মত থেরাপি দেওয়া সম্ভব। যদিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে ডাবল শিফটে সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৭০ জন পর্যন্ত রোগীকে থেরাপি দেওয়ার একটি সহনশীল সীমা ধরা হয়।

আরও পড়ুন: ৮ ক্যান্সার-কিডনি-হৃদরোগ হাসপাতাল: ভবন নির্মাণে কচ্ছপগতি, শতকোটির ‘অপ্রয়োজনীয়’ বিলাসিতা!

তবে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন দুই শিফট নয়, রোগীর উপচে পড়া ভিড় এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় তিন শিফটে রেডিওথেরাপি দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে একেকটি মেশিনেই সেবা দিতে হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ জনকে। দুটি মেশিনে সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তিন শিফটে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগীকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। আর একজন রোগীকে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন মেশিন ব্যবহার করতে হয়। ফলে মাসে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ রোগীকেই এই সেবা দেওয়া সম্ভব। এতেই তৈরি হয়েছে ভয়াবহ জট।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমাদের ডেট পড়ে গেছে ২০২৮ সালে! ২০২৮ সালের ডেট পাওয়া মানে রোগীরা মনে করতো যে ২৮ সাল পর্যন্ত অন্তত অপেক্ষা করা যায়।’

একটি প্যাকেজে ১৫ ফ্র্যাকশনে একটা ব্রেস্ট ক্যান্সারের রেডিওথেরাপি বেসরকারি হাসপাতালে কম-বেশি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটে একই মেশিনে খরচ হয় মাত্র ১২ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ ১০ গুণ বেশি! ফলে খরচের এই বিশাল পার্থক্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত রোগীরা এই হাসপাতালের ওপরই শতভাগ ভরসা রাখছেন। একই সাথে সরকারি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিনের অভাবের কারণে এখানে ভীড়টা আরও বাড়ছে ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ, সহকারী অধ্যাপক, অনকোলজি বিভাগ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

তিনি বলেন, ‘এমনিও তো ২৮ সালের ডেট দেওয়া না দেওয়ার কোনো মানে নাই। তার থেকে তাকে বুঝিয়ে বলা ভালো যে তার অল্টারনেটিভ চিকিৎসা থাকলে সে করুক। ২৮ সাল পর্যন্ত তারিখ দিয়ে রোগীর মরে যাওয়ার দায়িত্ব নেওয়ার দরকার কি? এজন্য আমরা এখন ডেট বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা লিখে দিচ্ছি যে কোনো রেডিয়েশনের সুযোগ নাই।’

পরিচালক আরও বলেন, ‘একটা পেশেন্টের ট্রিটমেন্ট টাইম ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ। ফলে একদিনের ওই ২৫০ পেশেন্টই কিন্তু ৬ সপ্তাহ ধরে সেবা নিচ্ছে। এ সময়ে নতুন রোগী নেওয়া যাচ্ছে না। চ্যালেঞ্জটা এখানেই তৈরি হয়েছে।’

রেডিওথেরাপি মেশিন। ছবি: প্রতীকী

হাসপাতালটিতে এমন ভীড়ের কারণ হিসেবে ক্যান্সারের ব্যয়বহুল চিকিৎসাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিচালকের মতে, ক্যানসারের চিকিৎসা বেসরকারি হাসপাতালেও অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সেখানেও ১ থেকে ৩ মাসের ওয়েটিং টাইম রয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক হিসাব অনুযায়ী দেশে অন্তত ২০০টি রেডিওথেরাপি মেশিন দরকার হলেও সরকারি-বেসরকারি মিলে আছে মাত্র ৩৫টি, যার মধ্যে সরকারি মাত্র ৬টি।

আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল: নবজাতকের ভেন্টিলেটর সংকট, শিশুদের আইসিইউ চালু হলেও মিলছে না পূর্ণাঙ্গ সুফল

প্রতিষ্ঠানটির অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ৮ বিভাগে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ডা. তৌফিক হাসান জয় বলছেন, ক্যান্সার চিকিৎসার খরচের বিশাল ব্যবধানের কারণে বাধ্য হয়ে ক্যান্সার রোগীদের বড় অংশ সরকারি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নেন।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি প্যাকেজে ১৫ ফ্র্যাকশনে একটা ব্রেস্ট ক্যান্সারের রেডিওথেরাপি বেসরকারি হাসপাতালে কম-বেশি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটে একই মেশিনে খরচ হয় মাত্র ১২ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ ১০ গুণ বেশি! ফলে খরচের এই বিশাল পার্থক্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত রোগীরা এই হাসপাতালের ওপরই শতভাগ ভরসা রাখছেন। একই সাথে সরকারি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিনের অভাবের কারণে এখানে ভীড়টা আরও বাড়ছে।

এ ছাড়া বিগত আওয়ামী আমলে পরিকল্পিত উপায়ে ক্যান্সার চিকিৎসাকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে বলে মত এই দুই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের। পরিচালক বলেন, ‘রেডিওথেরাপিতে আমাদের অবস্থা একবারে বিপর্যস্ত। প্রকৃত অর্থে গত ১৭ বছর ইন্ডিয়ায় রোগী যাওয়ার জন্য এই সাবজেক্টটাকে একদম ফেলে রাখা হইছে। ক্যান্সারের বাইরে আরেকটা হচ্ছে ডায়ালাইসিস আর অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন। এই দুটির কোনো ডেভেলপমেন্ট হয় নাই, যাতে সব রোগী ইন্ডিয়ায় যায়। এক পর্যায়ে অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট বন্ধই হয়ে গেল। নাহলে আজকে বাংলাদেশের এত রোগী ইন্ডিয়ায় যেত না।’

সমাধান কী
ক্যান্সার হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটিতে রেডিওথেরাপি মেশিন বৃদ্ধির বিকল্প নাই। একই সাথে সারাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসা ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলছেন তারা। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শয্যা সংখ্যা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিও প্রয়োজন বলেও মত তাদের। ইতোমধ্যে ৫০০ শয্যা থেকে ১২০০ শয্যায় উন্নীতের একটি প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রেডিওথেরাপি মেশিনের বিষয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন জানান, বর্তমানে সরকারি অর্থায়নে আরও একটি মেশিন ক্রয় প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি আগামী জানুয়ারি নাগাদ প্রস্তুত হতে পারে। আর চতুর্থ আরেকটি মেশিন ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন। এটিও আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে প্রস্তুত হতে পারে মত তার। এরপর বাকি তিনটি বাংকারে পড়ে থাকা অচল মেশিন সরিয়ে নতুন মেশিন নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানালেন তিনি। বলছেন, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরেই ৬টি রেডিওথেরাপি মেশিন সচল করতে চান।

রেডিওথেরাপিতে আমাদের অবস্থা একবারে বিপর্যস্ত। প্রকৃত অর্থে গত ১৭ বছর ইন্ডিয়ায় রোগী যাওয়ার জন্য এই সাবজেক্টটাকে একদম ফেলে রাখা হইছে। ক্যান্সারের বাইরে আরেকটা হচ্ছে ডায়ালাইসিস আর অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন। এই দুটির কোনো ডেভেলপমেন্ট হয় নাই, যাতে সব রোগী ইন্ডিয়ায় যায়। এক পর্যায়ে অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট বন্ধই হয়ে গেল। নাহলে আজকে বাংলাদেশের এত রোগী ইন্ডিয়ায় যেত না —অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, পরিচালক, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

এ ছাড়া কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার হাসপাতালে আগামী জানুয়ারির মধ্যে একটি রেডিওথেরাপি মেশিন বসানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি, যা জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত হবে। এর বাইরে সাভারের ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্সে (আইএনএমপি) গবেষণাকাজে ব্যবহৃত দুটি রেডিওথেরাপি মেশিনও এই হাসপাতালের অধীনে রোগীসেবায় ব্যবহার হচ্ছে। এসব মিলিয়ে দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে হাসপাতালের ভয়াবহ জট কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: এক ছাতার নিচে নেই সব আঘাতের চিকিৎসা, মুমূর্ষু রোগীই দৌড়ান হাসপাতালে হাসপাতালে

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

এদিকে ক্যান্সার চিকিৎসায় সারাদেশের ৮ বিভাগে একটি করে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রায় শেষের দিকে রয়েছে। এই হাসপাতালে ক্যান্সারের পাশাপাশি কিডনি ও হৃদরোগের চিকিৎসাও থাকবে। তবে প্রতিটি বিভাগীয় হাসপাতালে ক্যান্সার শয্যা থাকছে ১৮২টি করে। একই সাথে প্রাথমিকভাবে অন্তত দুটি করে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ।

তিনি বলেন, দুটি মেশিনে কমপক্ষে ১৫০ জনকে যদি সার্ভিস দিতে পারি, তাহলে ৮টা বিভাগে সেবা দেওয়া যায় ১২০০ জনকে। এতে অনেকটাই চাপ কমবে। যদিও আমাদের প্রত্যাশার থেকে এটা অনেক কম। প্রকৃতপক্ষে দেশে ১৮ কোটি জনগণও যদি ধরেন, তাহলেও আমাদের অন্তত ১৮০টি রেডিওথেরাপি সেন্টার দরকার।

মালিকবিহীন পরিত্যক্ত ব্যাগে মিলল ৯২ রাউন্ড গুলি
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি করলে ছয় মাসের দণ্ড
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিখোঁজ শিশুর পা কেটে করানো হয় ভিক্ষাবৃত্তি, ৭ মাস পর মাহফিল…
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফোডেনের লাল কার্ড, ১০ জনের সিটির ডার্বি জয়
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রকে অত্যাচারী সমাজে পরিণত করেছিল: স্পিকার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9