স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

২২ জুন ২০২৬, ০৫:০২ PM
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল © সংগৃহীত

দেশের সামগ্রিক ওষুধ খাতের উন্নয়ন, জাতীয় ওষুধনীতি বাস্তবায়ন এবং জনসাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে সভাপতি করে ২২ সদস্যবিশিষ্ট এই উচ্চপর্যায়ের পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

রবিবার (২২ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি আদেশ অনুযায়ী, এই নতুন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নবগঠিত এই পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

এ ছাড়াও অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, খাদ্য, শিল্প, বিদ্যুৎ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ এই কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ এবং জৈব রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানদ্বয়কে কমিটিতে রাখা হয়েছে।

ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতিরাও এই পরিষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

ওষুধ খাতের শৃঙ্খলা ও টেকসই উন্নয়নে এই পরিষদকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিষদ মূলত জাতীয় ওষুধনীতি বাস্তবায়নের সামগ্রিক বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণে দেশীয় ওষুধ শিল্পকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এই কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হবে অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি ওষুধের মধ্য থেকে ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা’ প্রণয়ন করা এবং প্রতি দুই বছর পরপর তা হালনাগাদ করার সুপারিশ করা।

এর পাশাপাশি ওষুধ এবং এর কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে সরকারকে নিয়মিত পরামর্শ দেবে এই পরিষদ। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ওষুধ উৎপাদন, বণ্টন ও বিক্রয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তারা কাজ করবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ তাদের কার্যক্রম গতিশীল রাখতে বছরে অন্তত দুইবার আনুষ্ঠানিক সভায় মিলিত হবে। তবে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দুই বা ততোধিক সভা আহ্বান করা যাবে। এ ছাড়া কাজের সুবিধার্থে পরিষদ চাইলে যেকোনো বিশেষজ্ঞ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কো-অপ্ট সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার এখতিয়ার রাখবে।

রাতভর এপাশ-ওপাশ? ভালো ঘুমের জন্য এই অভ্যাসগুলো মেনে চলুন
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, দেশপ্রেম ও গণত…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে এক ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচার…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
জার্নালিস্ট অব দ্যা ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
সাত বছরের সন্তানের সামনেই অন্তঃসত্ত্বা মাকে পিটিয়ে হত্যা
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬