স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ঘাটতি নেই, কিন্তু ৮০ শতাংশ ডাক্তার থাকতে চান ২০ ভাগ মানুষের শহরে

১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ PM , আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ PM
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত © সংগৃহীত

দেশে জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তবে চিকিৎসকরা শহরমুখী হওয়ায় ‘ডিস্ট্রিবিউশন’জনিত সংকট তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে বলেছেন, মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ গ্রামে থাকলেও ডাক্তারদের ৮০ শতাংশ থাকেন শহরে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (নিপোর্ট) ‘বাংলাদেশে 'জনমিতিক লভ্যাংশ (তরুণ জনশক্তির সুবিধা) কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্ভাবনা: সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং নীতিগত প্রয়োজনীয়তা’ এবং ‘বিভিন্ন ধরনের মহামারী রোগ সঠিকভাবে মোকাবিলা বা ব্যবস্থাপনার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রস্তুতির মূল্যায়ন’ দুটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, দেশে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে ডাক্তারের সংখ্যা কম নয়। পর্যাপ্ত ডাক্তার রয়েছে দেশে। তবে জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ থাকে গ্রামে, আর ডাক্তারদের ৮০ শতাংশ থাকে শহরে। ডাক্তার ডিস্ট্রিবিউশন ঠিক নেই।

তিনি বলেন, ডাক্তার যারা আছেন তাদের অল্প সংখ্যক সরকারি সিস্টেমে আছেন, বড় সংখ্যক অংশ বেসরকারি কাজ করেন। তবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নার্স আর মিডওয়াইফ সংখ্যা বাড়ানো উচিত। এটা নিয়ে আলোচনাও হচ্ছে না, আলোচনা হওয়া দরকার। শুধু ডাক্তার তৈরিতে ফোকাস না দিয়ে নার্স-মিডওয়াইফ তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া দরকার।

ড. এম এ মুহিত বলেন, ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়ে দেশে আলোচনা খুবই কম হচ্ছে। অথচ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপিস্ট খুবই প্রয়োজন, তাদেরকে এখনও সেভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তাদেরকে নিয়ে আলোচনা এবং সুযোগ সুবিধা বাড়ানো দরকার। এছাড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আরো অন্য জনবল রয়েছে। যাদেরকে নিয়ে কখনও আলোচনা হয় না, তাদেরকেও ফোকাস করা দরকার।

তিনি বলেন, ডাক্তার বিদেশে পাঠালেই দেশে রেমিট্যান্স আসবে এমন নয়। অনেকেই বিদেশে থেকে যান এবং মাঝে মাঝে দেশে আসেন। 

ড. এমএ মুহিত বলেন, ডাক্তারদের আমরা অনেক সমালোচনা করি এবং হাসপাতালে কোনো সমস্যা পেলেই তাদের উপর চাপিয়ে দেই। করোনায় ডাক্তারদের অবদান অনেক। ভয় নিয়ে তাদেরকে কাজ করতে হয়েছে। সামনেও এমন হতে পারে। ভাইরাসকে মোকাবিলা করা আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, দেশে ভ্যাকসিন ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের কাজ করা দরকার। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারিখাতকেও উৎসাহ করবো। আমরা স্বাস্থ্যখাতে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছি। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার উপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা দক্ষ জনবল তৈরি করবো।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গ্রামের তুলনায় শহরমুখী ডাক্তারের সংখ্যা বেশি। তাদেরকে গ্রামমুখী করার জন্য কাজ চলছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রয়োজনে এই কাজটি করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইসরাত জামান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ফেনীর ৬২ প্রাথমিক বিদ্যালয়, দায়িত্…
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, এসআইসহ আহত ৪
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যালয়ে আনা শিক্ষার্থীর আইফোন ভাঙলেন শিক্ষক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারী খেলোয়াড়দের উত্ত্যক্ত, প্রতিবাদ করার হামলা— যুবক আটক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘তুই ফ্যাসিস্ট, ১৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দে, না হয় এলাকা ছাড়’
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নিহত
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9