টিকাদান কর্মসূচি © এআই সৃষ্ট ছবি
হামের প্রকোপ ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির ইঙ্গিত দিচ্ছে জানিয়ে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেছেন, ‘ল্যাবরেটরিগুলো শক্তিশালী করতে হবে। এন্টি-ভ্যাক্স ক্যাম্পেইনের বিষয়টি নোটিস করে প্রয়োজনে কেউ যদি ভ্যাকসিন না দিয়ে থাকে, তাকে আইনের আওতায় আওতায় আনতে হবে।’
আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মিল্টন হলে ‘হামের পুনঃআবির্ভাব: প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘কোনো কোনো জেলায় ১৫০ শতাংশ কাভারেজের কথা বলা হচ্ছে। এটা কীভাবে হয়? তাহলে এটা কখনোই সঠিক ছিল না। তবে এ ব্যর্থতা শুধু বাংলাদেশের না, আশেপাশের দেশগুলোতেও হয়েছে। ইপিআইকে ডিজিটালাইজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন: হামের প্রকোপ ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির ইঙ্গিত দিচ্ছে: অধ্যাপক সাইফ মুন্সী
তিনি বলেন, ‘হাম আসলে আমাদের ইন্ডিকেট করছে, আমাদের ভ্যাকসিন পদ্ধতির কোথাও গ্যাপ আছে। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত গ্যাভি ভ্যাক্সিন দেবে, কিন্তু ২৬ সালে এসেও কোথাও আলোচনা হয়নি যে, এরপর আমরা ভ্যাকসিন কোথায় পাব? আমরা কি উৎপাদন করব? আমাদের প্রস্তুতি কই?’
কাভারেজ বাড়ানোর পাশাপাশি জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভুলটা কোথায় হয়েছে, সেটি আইডেন্টিফাই করতে হবে। আমাদের কাভারেজের (টিকাদানের হার) মধ্যে বড় ধরণের ঘাপলা আছে।’