অ্যান্টিবায়োটিকের পুরো কোর্স না করলে কী হয়?

২৫ মে ২০২৫, ০৭:২৬ PM , আপডেট: ২৬ মে ২০২৫, ১১:৪৯ AM
অ্যান্টিবায়োটিক

অ্যান্টিবায়োটিক © সংগৃহীত

আমাদের চারপাশে রয়েছে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যেগুলোর সংক্রমণে শরীরে দেখা দেয় বিভিন্ন রোগ। এসব রোগ সারাতে অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন পড়ে। তবে অ্যান্টিবায়োটিক কেবলমাত্র নির্দিষ্ট প্রয়োজনে এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে তবেই কার্যকর হয়। ভুলভাবে সেবন করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি।

১. অযথা অ্যান্টিবায়োটিক নয়
সব জ্বর বা ঠান্ডা লাগা মানেই অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন—এই ধারণা ভুল। অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে প্রয়োজন হয়, ভাইরাসজনিত রোগে নয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়। শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

২. অ্যালার্জির বিষয়টি গোপন করবেন না
কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে শরীরে অ্যালার্জি থাকলে তা অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে। কারও ক্ষেত্রে এটি ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি, এমনকি শ্বাসকষ্টের কারণও হতে পারে, যা মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

৩. গর্ভাবস্থার তথ্য দিন
অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কিছু অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া নিষেধ। তাই গর্ভাবস্থার কথা চিকিৎসককে জানানোটাও জরুরি।

৪. অন্য ওষুধ খেলে জানাতে ভুলবেন না
যদি আপনি অন্য কোনো ওষুধ, যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, খেয়ে থাকেন, তাহলে সেটাও চিকিৎসককে জানাতে হবে। কারণ কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে ওষুধের বিক্রিয়া হতে পারে।

৫. নির্ধারিত সময়েই ওষুধ খেতে হবে
অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক সময় ধরে নির্দিষ্ট ব্যবধানে খেতে হয়—যেমন, ছয় বা আট ঘণ্টা পরপর। ডোজ মিস করলে একসঙ্গে বেশি ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৬. শরীর ভালো লাগলেই ওষুধ বন্ধ নয়
অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স মাঝপথে বন্ধ করলে জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস না হয়ে শরীরে থেকে যেতে পারে। এতে রোগ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়ে এবং ভবিষ্যতে ওষুধ অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।

৭. নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া নয়
কেউ আগে যেকোনো রোগে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ভালো হয়েছেন বলে আপনি তা নিজে খাওয়া শুরু করবেন না। আগেরবারের বেঁচে থাকা ওষুধও ব্যবহার করা উচিত নয়।

৮. শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা
শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করতে হয়। একই বয়সের হলেও ওজনের পার্থক্যে মাত্রা ভিন্ন হতে পারে। আবার পুরোনো মুখ খোলা সিরাপ বা সাসপেনশন শিশুকে খাওয়ানো ঠিক নয়।

৯. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা
কোনো কোনো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ফলে প্রস্রাবে রঙের পরিবর্তন, পেটের গ্যাস, রুচি হ্রাস, বমির ভাব ইত্যাদি হতে পারে। চিকিৎসকের কাছ থেকে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জেনে নিন।

১০. পানি পান ও খাবার বিষয়ে নির্দেশনা মানুন
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক বেশি পানি পান করতে বলে, আবার কিছু খাবারের সঙ্গে খাওয়া বারণ। কিছু অ্যান্টিবায়োটিক যকৃত বা কিডনি সমস্যায় ক্ষতিকর হতে পারে। তাই নিজের শরীর সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য চিকিৎসককে জানান।

স্মরণে রাখুন, অ্যান্টিবায়োটিক শক্তিশালী ওষুধ হলেও এর ভুল ব্যবহার শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে। তাই এটি সেবনের আগে সঠিক জ্ঞান ও চিকিৎসকের নির্দেশনা থাকা একান্ত প্রয়োজন।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের সমীক্ষা শুরু, বদলাবে উত্তরবঙ…
  • ১০ মে ২০২৬
ফ্যাসিবাদ জন্মের পক্ষে মত তৈরির অপরাধকে এখনও গোনায় আনা হয়নি…
  • ১০ মে ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন থালাপতি বিজয়
  • ১০ মে ২০২৬
বিএনপি নেতার চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার 
  • ১০ মে ২০২৬
গোয়ালের ঘরে মাটি খুঁড়ে মিলল মরদেহ
  • ১০ মে ২০২৬
এসএসসিতে ৩ বিষয় ও দাখিলে হাদিস পরীক্ষা আজ
  • ১০ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9