স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় © টিডিসি সম্পাদিত
দেশের পাঁচ বিভাগে নবনির্মিত ৫টি শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বরং অন্য স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতিও ক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে।
গত ১৭ মে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার এক অফিস আদেশে এসব নির্দেশ দেয়া হয়। এতে উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ সই করেছেন। এটি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও জেলা সিভিল সার্জনদের বিতরণ করা হয়েছে। তবে সংকটে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মী আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট জেলার নবনির্মিত শিশু হাসপাতাল চালুকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পরিচালককে (স্বাস্থ্য) নির্দেশক্রমে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) তার অধীন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত করে শিশু হাসপাতাল চালু করবেন।
আরও পড়ুন: যে ৫ খাবার গরম করে খেলেই বাড়ে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি
কুমিল্লা শিশু হাসপাতালের ক্ষেত্রে জেলা সিভিল সার্জন দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানানো হয়েছে। বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে— তিনি জনবল গ্রহণ, প্রশাসনিক অনুমোদন, পদ সৃজন, অর্থনৈতিক কোড সৃষ্টি, আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কাজ সম্পন্ন এবং প্রয়োজন অনুসারে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে হাসপাতালসমূহ দ্রুত চালু করবেন।
এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, বর্তমানে কোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত জনবল নেই। জনবলের অভাব ও রোগীর অতিরিক্ত চাপে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়তি চাপে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে জনবল নিয়ে গেলে আরও সংকটে পড়তে হবে।
তারা বলছেন, এভাবে জোড়াতালি দিয়ে চালু করে এ শিশু হাসপাতালগুলো বেশি দূর আগাতে পারবে না। বরং দ্রুত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়ে চালু করা হোক।