জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২১ AM
জাতীয় শহিদ সেনা দিবস

জাতীয় শহিদ সেনা দিবস © সংগৃহীত

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) জাতীয় শহিদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের ১৭ বছর পূর্ণ হলো। ইতিহাসের সেই নৃশংস ঘটনায় বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তা এবং সাকিল আহমেদের স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নির্মমভাবে শহিদ হন। বাংলাদেশের ইতিহাসের এই কলঙ্কিত অধ্যায়কে স্মরণ করে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহিদ সেনাদের স্মৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত এই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই দিনটি যথাযথ গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়নি, তবে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং নাগরিক হিসেবে এই ষড়যন্ত্রের স্বরূপ উপলব্ধি করা প্রত্যেকের জন্য জরুরি।

আরও পড়ুন: বিডিআর নামে ফিরছে বিজিবি

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় বিডিআরের বার্ষিক দরবার চলাকালে কিছু বিদ্রোহী সৈনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দরবার হলে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা বিডিআর মহাপরিচালকসহ সেখানে উপস্থিত সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে পুরো পিলখানায় এক বীভৎস পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। নানা নাটকীয়তা শেষে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের অবসান ঘটে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ভেতরে একাধিক গণকবরের সন্ধান মেলে। সেখানে মহাপরিচালক ও তার স্ত্রীসহ অসংখ্য সেনা কর্মকর্তার মরদেহ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিশেষ আদালতের রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৭ জন। তবে ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা এখনো বিচারের আওতায় আসেনি বলে দাবি করা হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত বছরের ১৯ জানুয়ারি এই ঘটনায় ২৫০ জন বিডিআর জওয়ানকে জামিন দেওয়া হয় এবং ২৩ জানুয়ারি ১৭৮ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

দেশে প্রথম প্রশাসনিক উচ্চ পদে কোনো মসজিদের ইমাম
  • ২৩ মে ২০২৬
এবার দানবাক্স নিয়ে আলোচনায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’
  • ২৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক থেকে পদত্যাগ করছেন তু…
  • ২৩ মে ২০২৬
নাসীরুদ্দীনসহ নেতাকর্মীদের থানায় অবরুদ্ধ করে বিএনপির বিক্ষো…
  • ২২ মে ২০২৬
নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের ৮ নেতার নামে মামলা
  • ২২ মে ২০২৬
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এমবিএ প্রোগ্রাম: দক্ষতা, দৃষ্টিভ…
  • ২২ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081