ভিকারুননিসায় খাতা টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

১০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১৭ PM

© ফাইল ফটো

প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দিতে পরীক্ষার খাতা টেম্পারিং ও তড়িঘড়ি করে করোনার মধ্যে শাখা প্রধান নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছে অভিভাবক ফোরাম।

আজ মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) অভিভাবক ফোরামের সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার (রানা) এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সুজন অভিভাবকদের পক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেন। অভিযোগে বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া রেজওয়ান ও গভর্নিং বডির সদস্য শিক্ষক প্রতিনিধি (টিআর) ফাতেমা জোহুরা হকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ জুন জারি করা পত্র অনুযায়ী পদ শূন্য হলে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। কিন্তু দুর্নীতির উদ্দেশে বিভিন্নজনকে শাখাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগেও অধ্যক্ষ ও শাখাপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের তদন্তে তা বেরিয়ে এসেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এর আগে খাতা টেম্পারিংয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার পাওয়া শিক্ষককেও ভিকারুননিসা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাই যারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কোনও পদ নেই। অথচ এসব পদে নিয়োগ দিতে গিয়ে পরীক্ষার খাতায় গোপনে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক ফাতেমা জোহরা হক টেম্পারিং করে নম্বর বাড়িয়ে দেন। তাছাড়া শাখা প্রধান নিয়োগে সরকারি নিয়ম ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথচ কলেজ কর্তৃপক্ষ ফাতেমা জোহুরা হক, শাহরীমা এবং সাহা চৌধুরীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০ বছরের অভিজ্ঞতা ঘোষণা করে, যাতে অন্য কেউ আবেদন করতে না পারেন।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৭ নভেম্বর) ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের সময় দুইজন প্রার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে শিক্ষক প্রতিনিধি ফাতেমা জোহরা হক এক প্রার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে প্রমাণ পান গভর্নিং বডির সভাপতি ও ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. মাজহারুল ইসলাম। পরের দিন পরীক্ষা উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওইদিন গভর্নিং বড়ির সভায় ভাইবা পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

অভিভাবক ফোরামের সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার (রানা) এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সুজন জানান, গভর্নিং বড়ির সভাপতির নির্দেশে মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিত প্রার্থীদের যাতায়াত খরচ দিয়ে বিদায় করা হয়। এরপর গভর্নিং বড়ির সভায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

অভিভাবক ফোরামের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান, গত ৯ নভেম্বর শাখা প্রধান নিয়োগ করা হয়েছে। অথচ প্রতিটি শাখায় দীর্ঘদিন থেকে যারা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠেনি গভর্নিং বডিতে। অথচ করোনার মধ্যে তড়িঘড়ি করে চারজন শাখা প্রধান নিয়োগ করা হয়েছে।

নির্বাচনের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে  বাস উল্টে নিহত ২
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াতকে ‘বন্ধু’ বানাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, কূটনীতিকের অডিও …
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
নোবিপ্রবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের নতুন সংগঠন ‘বর্ধিত সাদা দ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
৮ম পে কমিশনের প্রতিবেদন জমার কত মাস পর গেজেট হয়েছিল? 
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
গণতন্ত্র ও এলাকার উন্নয়নের জন্য ভোট কেন্দ্রে যাবার আহ্বান হ…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬