ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ম্যাচ © সংগৃহীত
বিশ্বকাপের তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এক অবিশ্বাস্য গোল উৎসবের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এতে দুই দলের আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচটি এবারের টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা লড়াইয়ে পরিণত হয়।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে রীতিমতো উড়িয়ে দেয় ইংল্যান্ড। মাত্র ৪৫ মিনিটেই চার গোল করে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। ডেকলান রাইস, এজরি কনসা এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ইংল্যান্ড।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে লে ব্লুজরা। এমবাপ্পে জোড়া গোল করে ব্যবধান কমান, আর একপর্যায়ে ৩-৪ করে ম্যাচে দারুণ উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন ফ্রান্স।
শেষ দিকেও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দল দুটি এবং একে অপরের জালে আরও বল পাঠায়। তবে শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ধারাবাহিক আক্রমণের কাছে হার মানে ফ্রান্সই। এতে নির্ধারিত সময় শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৬-৪।
এদিকে এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ডও হয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ২২ গোল নিয়ে শীর্ষে উঠেছেন তিনি।
অন্যদিকে বিশ্বকাপে ৭ গোল করা প্রথম ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন জুড বেলিংহ্যাম। আর বুকায়ো সাকাও করেছেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক।
পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ আর একের পর এক গোলের কারণে এটিকে এবারের ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা। ১০ গোলের থ্রিলারে ইংল্যান্ডের জয়ে ম্যাচটি শেষ হলেও দুই দলের আক্রমণাত্মক ফুটবলই হয়তো দীর্ঘদিন মনে থাকবে ক্রীড়াপ্রেমীদের।