স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচ © সংগৃহীত
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বিরতিতে এগিয়ে রয়েছে স্পেন। আটলান্টায় প্রথমার্ধে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ১-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লা রোজারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে নিজেদের ছন্দে খেলতে থাকে স্পেন। অন্যদিকে রক্ষণ গুছিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠার কৌশল বেছে নেয় ফ্রান্স। তৃতীয় মিনিটেই লামিন ইয়ামালকে শক্ত ট্যাকলে থামিয়ে দেন আদ্রিয়াঁ রাবিও। পরের আক্রমণে কিলিয়ান এমবাপ্পের অগ্রযাত্রাও রুখে দেন ফাবিয়ান রুইজ।
নবম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় স্পেন। দানি ওলমোকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন রাবিও। তবে দারুণ অবস্থান থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি লা রোজারা।
ম্যাচের ২০তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক-থ্রু পেয়ে যায় স্পেন। বক্সের ভেতরে উঁচু বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিনিয়ে। সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে মাইক মেনিয়াঁকে পরাস্ত করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি স্পেন। অ্যালেক্স বায়েনা, দানি ওলমো ও লামিন ইয়ামালের সমন্বিত আক্রমণে একের পর এক চাপে পড়ে ফরাসি রক্ষণ। ৩৮তম মিনিটে মেনিয়াঁর ভুল পাস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে দ্বিতীয় গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। ওলমোর ব্যাকহিল থেকে ইয়ামাল বল বাড়িয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজের দিকে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে দায়োতের ট্যাকলে রক্ষা পায় ফ্রান্স।
অন্যদিকে ৩০তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় দিদিয়ের দেশমের দল। পিঠে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন উইলিয়াম সালিবা। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন ম্যাকসাঁস লাক্রোয়া।
৩৭তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করেন পেদ্রো পোরো, তবে বল লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তিন মিনিট পর রাবিওর নিখুঁত থ্রু পাসে স্পেনের রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে যান এমবাপ্পে। তবে দ্রুত বক্স ছেড়ে বেরিয়ে এসে দুর্দান্ত দক্ষতায় বিপদ সামাল দেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।
প্রথমার্ধে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্তও আলোচনার জন্ম দেয়। শুরুতেই হলুদ কার্ড দেখা রাবিও পরে আরেকটি কঠিন ট্যাকল করলেও দ্বিতীয় হলুদ থেকে বেঁচে যান। অন্যদিকে রদ্রির ওপর মাইকেল অলিসের স্টাডস-আপ ট্যাকল নিয়েও লাল কার্ডের দাবি ওঠে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।