আর্জেন্টিনা ফুটবল দল © সংগৃহীত
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো ধীরে ধীরে নিজেদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করছে। তবে কয়েকদিন আগে ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক দল প্রকাশ করা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এখনো চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেনি। এরই মধ্যে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আগামী ৩০ মে (শনিবার) চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল ফিফার কাছে জমা দেওয়ার শেষ সময়। তবে এর আগেই স্কালোনি তার বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী দল প্রস্তুত করছেন।
চূড়ান্ত স্কোয়াড জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ মে। এ ছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোনো খেলোয়াড় চোটে পড়লে, ইতোমধ্যে প্রকাশিত ৫৫ সদস্যের তালিকা থেকেই তার পরিবর্তে নতুন খেলোয়াড় নেওয়া হবে। এর আগে টিওয়াইসির আরেক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, এরই মধ্যে ২২ ফুটবলারের জায়গা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটলে তারাই খেলবেন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে।
এখন কোচিং স্টাফের সামনে সবচেয়ে বড় কাজ বাকি চারটি জায়গা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। আগামী এক মাসে এসব জায়গার জন্য কয়েকজন ফুটবলারের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করা হবে। ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামার আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে মেসি-আলভারেজরা।
জানা গেছে, অতিরিক্ত খেলোয়াড় ডাকার পেছনে স্কালোনির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘ইনজুরি ব্যাকআপ’। কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের ঠিক আগে নিকো গঞ্জালেজ এবং জোয়াকিন কোরেয়া শেষ মুহূর্তে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। সে সময় ছুটিতে থাকা আনহেল কোরেয়া ও থিয়াগো আলমাদাকে জরুরি ভিত্তিতে দোহায় উড়িয়ে নিতে হয়েছিল। এবার সেই নাটকীয়তার পুনরাবৃত্তি চান না স্কালোনি। চোটের ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প ফুটবলারদের আগে থেকেই প্রস্তুত রাখতে চান তিনি।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জে’তে রয়েছে আর্জেন্টিনা। একই গ্রুপে আছে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ১৬ জুন, আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।