রাহুল আনন্দের বাড়িতে আগুনের ঘটনায় নতুন যে তথ্য জানা গেল 

১৩ আগস্ট ২০২৪, ০৫:১০ PM , আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:৪২ AM
রাহুল আনন্দ

রাহুল আনন্দ © ফাইল ছবি

ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। গত ৫ আগস্ট জলের গান ব্যান্ডের গায়ক রাহুল আনন্দের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুড়ে যায় তিন হাজারের মতো বাদ্যযন্ত্রসহ তার ধানমন্ডির ভাড়া বাড়ি। তবে এখন অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা।

সেসময় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, পরিকল্পিতভাবে এ আগুন দেওয়া হয়। এক সাক্ষাকারে রাহুল আনন্দ জানান, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে কোনো মতে বের হয়ে এসেছিলেন তিনি।

রাহুল আনন্দের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষজনসহ অনেকেই।

তবে এখন শোনা যাচ্ছে, রাহুল আনন্দের বাসায় উদ্দেশ্য করে কেউ আগুন দেয়নি। ধানমন্ডি ৩২–এ অবস্থিত বঙ্গবন্ধু মিউজিয়ামকে লক্ষ্য করে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। আর সেই আগুন ছড়িয়ে পরে রাহুলের বাসায়। বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে জলের গান ব্যান্ডের ফেসবুক পেজ থেকেও। 

এক সাক্ষাকারে রাহুল আনন্দ জানান, স্ত্রী- সন্তান নিয়ে এক কাপড়ে বাড়ি কোনো মত বের হয়ে এসেছিলেন তিনি। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা। 

ফারহানা হামিদ জানান, ‘রাহুল আনন্দের বাসা উদ্দেশ্য করে আগুন দেয়া, লুটপাট বা ভাংচুর করা হয়নি। আগুন দেয়া হয়েছে ৩২ এর “বর্তমান বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম ও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ” সেটুকুতে। রাহুলদা একটা একতলা বাসায় ভাড়া থাকতেন। একপাশে তাদের সংসার ,অন্য পাশে জলের গানের স্টুডিও (অনেকের ভিডিওতে এই বাসাটা নিয়ে ভুলভাল কথা বলতে দেখেছি আমি)। সেই বাড়িটা ব্যক্তিমালিকানায় ছিলো। ৩২-এর সেখানে আরো অনেক এমন বাসা আছে। রাহুলদা ও তার পরিবারের দুর্ভাগ্য এই মায়াময় বাসাটা নতুন মিউজিয়াম এর দেয়াল ঘেষে এবং সান্তুরের পিছনে ছিলো, তাই তার বাসাতেও আগুন দেয়া হয়।

ফারহানা হামিদ আরো লেখেন, “রাহুলদাকে উদ্দেশ্য করে আগুন দিলে তারা এই পরিবারকে এভাবে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতো না। আর সুযোগ না দিলে সেই বাসা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। রাহুলদার বাসায় আগুনের সাথে রাহুলদার ধর্ম, বর্ণ, জাত, সংস্কৃতি-এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এমন গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে যেকোনো গুজব ভয়াবহ রুপ নিতে পারে। আমরা সচেতন হই। একটা সংসার, একটা দলের বহুদিনের সাধনা, একজন বাচ্চার শৈশব এর সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আর কারো কোন কিছু পুড়ে না যাক। ভালোবাসা নেমে আসুক মানুষের মনে, আপনারা তাদের পাশে থাকলে আবার ‘Joler Gaan’ এর সাথে গলা মিলিয়ে গান গাইবো- এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।”

প্রসঙ্গত, রাহুল আনন্দের বাদ্যযন্ত্রের সমাহার দেখার জন্য এই বাড়িতে অনেকেরই যাতায়াত ছিল। এমনকি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁও এই বাড়িতে গিয়েছিলেন।

ইতিহাস লেখার জন্য ত্যাগ লাগে না, লাগে ক্ষমতা
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় ঐক্য গড়ে না তুললে আবারও ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটতে…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
গণভোটের দাবি থেকে সরে আসতে আমাদেরকে লোভ দেখানো হয়েছে- বিরোধ…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত প…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
‘দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫ আগস্ট আসার আগেই সংস্কারকাজগুলো শুরু কর…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ সিরিজের আগে দুঃসংবাদ পেল অস্ট্রেলিয়া
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬